Operation Sindoor: প্রায় কলকাতা থেকে বর্ধমান, পাকিস্তানের ১০০ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে গুঁড়িয়ে দিয়ে এল ভারত, টার্গেট কী কী – Bengali News | Indian Army entered 100km inside Pakistan from international border during operation sindoor
সেনাবাহিনীর প্রকাশ করা ছবিImage Credit source: TV9 Bangla
নয়া দিল্লি: সীমান্তের ওপার থেকে গুলি ছুড়ে সাধারণ মানুষের উপর আঘাত হানা নয়, একেবারে পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে কড়ায়-গণ্ডায় হিসেব বুঝিয়ে দিয়ে এসেছে ভারত। বুধবার সকালে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে যে সাংবাদিক বৈঠক করা হয়েছে, সেখানেই তুলে ধরা হয়েছে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর সব তথ্য়। রাতের অন্ধকারে পাক অধিকৃত কাশ্মীর পেরিয়ে একেবারে পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা।
মঙ্গলবার রাতভর সামরিক অভিযান চালানোর পর বুধবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। সঙ্গে ছিলেন উইং কমান্ডার ভোমিকা সিং ও কর্নেল সোফিয়া কুরেশি। কোন কোন ঘাঁটিতে হামলা হল, সেই তথ্য় তুলে ধরতে গিয়ে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি জানান, পাকিস্তানের মাটিতে চারটি ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়েছিল।
1. সারজাল ক্যাম্প (শিয়ালকোট)। পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ৬ কিলোমিটার ভিতরে। জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় চার জওয়ানকে হত্যা করা হয়েছিল, সেই ঘটনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল ওই ক্যাম্প থেকে।
2. মেহমুনা জোয়া ক্যাম্প (Mehmoona Joya camp)- শিয়ালকোট। পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ১২ কিলোমিটার। সেখানে ছিল হিজবুল মুজাহিদীনের একটি ক্যাম্প। পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার ছক কষা হয়েছিল এই ক্যাম্প থেকে।
3. মার্কাজ তইবা মুরিদকে ক্যাম্প। পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ১৮ থেকে ২৫ কিলোমিটার ভিতরে। কর্নেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮-এর মুম্বই হামলার ছক কষা হয়েছিল এই ক্যাম্প থেকে। আজমল কাসভ, ডেভিড হেডলির ট্রেনিংও হয়েছিল ওই ক্যাম্পেই।
4. মার্কাজ সুভানাল্লাহ (বাহওয়ালপুর)। পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ১০০ কিলোমিটার ভিতরে। সেখানে ছিল জয়েশ-ই-মহম্মদের হেডকোয়ার্টার।
তবে সেনাবাহিনী স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এমনভাবে আঘাত করা হয়েছে, যাতে আশপাশের সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষতি না হয়।