টিন-পাইপ-লোহার রড-১০ বস্তা সিমেন্টে কী হবে? মমতার কাছে ‘প্যাকেজ’ চান মুর্শিদাবাদের হিংসা কবলিতরা! - 24 Ghanta Bangla News
Home

টিন-পাইপ-লোহার রড-১০ বস্তা সিমেন্টে কী হবে? মমতার কাছে ‘প্যাকেজ’ চান মুর্শিদাবাদের হিংসা কবলিতরা!

Spread the love

রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিএসএফ যৌথভাবে অ্য়াকশনে নামতেই হিংসার আগুন নিভতে শুরু করেছিল মুর্শিদাবাদের সুতি, সামশেরগঞ্জ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। কিন্তু, হিংসার ক্ষত এখনও শুকিয়ে যায়নি। বহু মানুষই কার্যত সর্বস্ব হারিয়েছেন। এমন একটা প্রেক্ষাপটে আগামী ৫ মে (২০২৫) মুর্শিদাবাদ সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেকথা জানতেই আশায় বুক বাঁধছেন হিংসা কবলিত এলাকার মানুষজন।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁদের চাহিদা খুবই স্পষ্ট। তাঁরা বলছেন, হিংসার আগুনে তাঁদের ঘর ভেঙেছে, সম্পত্তি পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। বহু পরিবারেরই লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ইতিমধ্যেই যাঁদের ঘর, দোকান প্রভৃতি ভেঙেছে, সেই সমস্ত সারানোর জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে টিন, পাইপ, লোহার রড ও ১০ বস্তা করে সিমেন্ট দেওয়া হয়েছে। তা নিয়ে অনেকে মেরামতির কাজও শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু, অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্তই মানছেন, এটুকুতেই যথার্থ ক্ষতিপূরণ হবে না।

আক্রান্তদের বক্তব্য হল, কোনও অঘটন ঘটলে রাজ্য সরকারের তরফে যেভাবে ক্ষয়ক্ষতি বিচার করে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়, এক্ষেত্রেও তেমনটাই করা হোক। হিংসার কবলে পড়া মানুষজেনের আশা, মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয় তাঁদের দুর্দশা বুঝবেন এবং তা নিরাময়ের যথাযথ বন্দোবস্ত করবেন।

প্রসঙ্গত, সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা খবর অনুসারে – আগামী ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় মুর্শিদাবাদ পৌঁছলেও ওই দিন তাঁর জেলায় কোনও কর্মসূচি নেই। সেদিন তিনি বহরম সার্কিট হাউসে রাত্রিবাস করবেন।

এর পরের দিন – অর্থাৎ – আগামী ৬ এপ্রিল মমতা প্রথমেই সড়কপথে জঙ্গিপুরের শমসেরগঞ্জ যেতে পারেন। সেখানকার বেশ কয়েকটি গ্রাম নিজে ঘুরে দেখতে পারেন মমতা। কথা বলতে পারেন স্থানীয়দের সঙ্গে। পরবর্তীতে ধুলিয়ানে তাঁর একটি কর্মসূচি রয়েছে। এই ধুলিয়ানেও হিংসার আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। সব শেষে মুখ্যমন্ত্রী যাবেন সুতি। সেখানকার ছাপঘাটি ময়দানে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন তিনি। সেই কর্মসূচি আগামী ৬ মে দুপুর ২টো থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ ঘুরে গিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। এখানে এসেছেন বিরোধী বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতা। এমনকী, জাতীয় মহিলা কমিশন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরাও মুর্শিদাবাদের হিংসা কবলিত এলাকা ঘুরে গিয়েছেন এবং নিজেদের রিপোর্ট পেশ করেছেন।

যদিও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তথা মুখ্যমন্ত্রী অনেক আগেই বলেছিলেন, সঠিক সময় হলেই তিনি মুর্শিদাবাদ আসবেন। তাঁর যুক্তি ছিল, হিংসা কবলিত এলাকায় শান্তি ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানো সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাথমিক কাজ। সেই কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরই তিনি মুর্শিদাবাদ আসবেন বলে জানিয়েছিলেন মমতা। সেই মতোই আগামী ৫ মে জেলা সফরে আসছেন মমতা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *