কালো ধোঁয়ায় ঢাকল আকাশ, বিস্ফোরণের পরেই ভয়ঙ্কর আগুন ধাপায়, তৎপর দমকল - 24 Ghanta Bangla News
Home

কালো ধোঁয়ায় ঢাকল আকাশ, বিস্ফোরণের পরেই ভয়ঙ্কর আগুন ধাপায়, তৎপর দমকল

Spread the love

কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে কালো ধোঁয়া। ঢেকে গিয়েছে চারপাশ। দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছে যেন কালো পাহাড়। শনিবার এভাবেই ভয়ঙ্কর আগুন লাগল ধাপা সংলগ্ন সায়রাবাদ এলাকায়। একটি প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। এলাকাটি ঘন বসতিপূর্ণ হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে পৌঁছে গিয়েছে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নেভানোর কাজ।

আরও পড়ুন: ‘‌২৬০টা মুন্ডু চাই’‌, বিধানসভার বাইরে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে হুঙ্কার শুভেন্দুর

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যেখানে আগুন লেগেছে সেটি একটি প্লাস্টিক কারখানা। সেখানে প্লাস্টিক জাতীয় প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত করা ছিল। ফলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এলাকায় কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে আকাশ। অনেক দূর থেকেই সেই কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্থানীয়রা বালতি বালতি জল ঢেলে নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, আগুন ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করায় নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি স্থানীয়রা। তবে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন পৌঁছলেও ঘনবসতি এলাকার রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় ইঞ্জিন নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে সমস্যায় পড়তে হয় দমকল বাহিনীকে। মূল রাস্তায় আটকে পড়ে দমকল ইঞ্জিনগুলি। এছাড়াও, আগুন নেভাতে জল পাওয়া নিয়ে সমস্যা বলে দাবি দমকলের। কারণ এলাকায় সেরকম কোনও বড় জলাশয় নেই। তারওপর দমকা হাওয়ার কারণে আগুন নেভাতে গিয়ে বেগ পেতে হয় দমকলকে।

ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, সেখানে একটি ট্রান্সফর্মার রয়েছে। তাতে হঠাৎ করে বিস্ফোরণের পর স্ফুলিঙ্গ থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। দমকল বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চালাচ্ছে বলে জানিয়ে গিয়েছে। দমকলকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভানোর কাজে হাত দিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। বেলা ১২ নাগাদ এদিন আগুন লাগে। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

উল্লেখ্য, এর আগে ইএম বাইপাসের ধারে আরুপোতায় একটি গ্যারেজে আগুন লাগে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। গত ১৫ ফেব্রুয়ারির সেই ঘটনায় গ্যারাজে দাঁড় করিয়ে রাখা একাধিক গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *