TMC MLA: বিক্রি হয়ে যাচ্ছে সরকারি জায়গা, সরাসরি বিধায়কের দিকে আঙুল তুলছেন স্থানীয়রা – Bengali News | Allegation of selling land of govt against TMC MLA Humayun Kabir in Debra
পশ্চিম মেদিনীপুর: নদী বাঁধের সরকারি জায়গা। সেটাই বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা বিধানসভার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধেই উঠছে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হুমায়ুন কবিরের নাম ব্যবহার করে তাঁর তুতো ভাইয়েরা ডেবরা ব্লকের বারাসতী এলাকায় কংসাবতী নদীবাঁধের জায়গা, যা সেচ দফতরের অধীন, তা বিক্রি করে দিচ্ছে। জায়গা দেখে নিজের পছন্দমতো একটা দাম বলে দিতে হবে। কেউ কিনছেন ৪০ হাজার টাকায়, কেউ কিনছেন ৫০ হাজার টাকা, কেউ আবার ৭০ হাজার টাকায়। গ্রামবাসীরা অনেকেই বলছেন, তাঁরা প্রতিবাদ করেছিলেন কিন্তু তা ধোপে টেকেনি। উল্টে কপালে জুটেছে পুলিশের ধমক। বিধায়ক তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন বলেও দাবি করছেন গ্রামবাসীরা। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন বিধায়কের ভাইয়েরা।
বাঁধের পাড়ে থাকা গাছও নাকি কেটে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ডেবরার বিডিও থেকে জেলার সর্বোচ্চ আধিকারিককে জানানো হয়েছে অভিযোগের কথা। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। কয়েকজন জানিয়েছেন, সরকারি জায়গা জেনেও কিনেছেন তাঁরা। কারণ টাকা না দিলে জায়গা ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে না।
বিধায়কের যে ভাইদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, এই অভিযোগ মিথ্যা। টাকা নিয়েছেন, এ কথা কেউ প্রমাণ করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, যে ব্যক্তি অভিযোগের আঙুল তুলছেন তিনি নিজেই সরকারি সেচ দফতরের জায়গা বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছেন।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য জানান, কিছু লোক নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যই এই ধরনের অভিযোগ করছেন। যিনি অভিযোগ তুলেছেন, তিনি এক সময় তৃণমূলেরই লোক ছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে নির্দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে পঞ্চায়েত সদস্যকে যখন নির্দিষ্টভাবে জিজ্ঞাসা করা হয় যে সেচ দফতরের জায়গা যখন বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বা দখল হয়ে যাচ্ছে, তখন কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। আর এভাবেই ডেবরার কংসাবতী নদী পাশেই অবস্থিত, বারাসতী গ্রামে নদী বাঁধের সেচ দফতরের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে।