ISRO: ৫১ কোটি টাকা খরচ করে মহাকাশে ‘ভাল্লুক’ পাঠাচ্ছে ISRO, সঙ্গে যাচ্ছে NASAও, কোন পরীক্ষা হবে শূন্যে? – Bengali News | ISRO May Sends Water Bears in Upcoming Axiom 4 Mission
নয়াদিল্লি: চলতি বছরেই নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (International Space Station)-এ নভোশ্চর পাঠাবে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)। জানা গিয়েছে, আমেরিকার এক বেসরকারি সংস্থার ও নাসার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে এই অভিযানের। যেখানে যোগ দিয়েছে ভারতও। ইসরো তরফে এই অভিযানে পাঠানো হবে বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেইন শুভাংশু শুক্লাকে। যার জন্য শুধুমাত্র ভারতেরই খরচ হতে চলেছে ৬ কোটি মার্কিন ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় ৫১ কোটি টাকা।
তবে ১৪ দিনের আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন অভিযানে শুধুমাত্র বায়ুসেনার অধিনায়ককে পাঠিয়েই কিন্তু ক্ষান্ত হচ্ছে না ইসরো। তাঁর সঙ্গে পাঠাতে চলেছে, এক বিশেষ প্রজাতির ‘ভাল্লুক’ও। এই ভাল্লুক কিন্তু যে সে ‘ভাল্লুক’ নয়, জল ভাল্লুক বা টারডিগ্রেড।
কী এই ‘টারডিগ্রেড’ বা ‘জল ভাল্লুক’?
এটি এমন একটি প্রাণী যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। শুধুমাত্র মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমেই ০.৩ মিলিমিটারের এই টারডিগ্রেড বা জল ভাল্লুকের দেখা মেলে। তবে আকারে অতিক্ষুদ্র হলেও, এই পৃথিবীর গোটা উত্থান-পতন দেখেছে তারা। যত বছর ধরে পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি, তবে থেকেই এই টারডিগ্রেড মিশে রয়েছে প্রকৃতিতে। এবার বিশেষ মহাকাশ অভিযানে সেই অতি প্রাচীন প্রাণীকেই পাঠাতে চলেছে ইসরো।
কিন্তু কারি কারি টাকা খরচ করে কেন তাদের মহাকাশে পাঠাচ্ছে ইসরো? জানা গিয়েছে, একটি বিশেষ গবেষণার খাতিরেই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে এই টারডিগ্রেডদের পাঠাবে ইসরো। যার মাধ্য়মে মহাকাশে টারডিগ্রেডের পুনরুজ্জীবন, প্রজনন-সহ গোটা জীবনচক্রের উপর নজরদারি চালাবে মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা। বিপর্যস্ত পরিবেশে কীভাবে তারা বেঁচে থাকে সেই দিকগুলিও খতিয়ে দেখবে ইসরো।
