BJP: ‘কেন্দ্রীয় বঞ্চনা শব্দের ভিত্তি নেই’, ৫ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ব্যাখ্যা শঙ্করের – Bengali News | 10 BJP MLAs from North Bengal meet several Union ministers in Delhi
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে বিজেপি বিধায়করাImage Credit source: TV9 Bangla
নয়াদিল্লি: উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের একাধিক দাবিতে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দরবারে ১০ বিজেপি বিধায়ক। মঙ্গবার ৫ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য দরবার করলেন উত্তরবঙ্গের বিজেপি বিধায়করা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করার পর শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানালেন, তাঁরা মন্ত্রীদের কাছে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে নানা দাবি জানিয়েছেন।
শঙ্কর ঘোষ জানান, পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের কাছে ইকো সেনসিটিভ জোনকে রক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অবিলম্বে জোনাল মাস্টার প্ল্যান তৈরির দাবিও করা হয়েছে বিজেপি বিধায়কদের তরফে। মে মাসের মধ্যে এ নিয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন ভূপেন্দ্র যাদব।
শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক জানান, নারী শিশুকল্যাণমন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে আইসিডিএস নিয়োগে দুর্নীতির কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পোষণ অ্যাপ চালু করার কথাও জানানো হয়েছে।
এই খবরটিও পড়ুন
কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন ও কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গেও দেখা করেন বিজেপি বিধায়করা। শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে দেখা করে কৃষি সংক্রান্ত সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তবে শাসকদলের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ নিয়ে কথা হয়নি। এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শঙ্কর বলেন, “কেন্দ্রীয় বঞ্চনা শব্দের কোনও ভিত্তি আছে বলে আমি জানি না। ৩ লক্ষ কোটি টাকার বাজেটে রাজ্যের আয় ৯০ হাজার কোটি টাকা। নিজের আয় দিয়ে সরকার নিজেদের কর্মীদের বেতন আর পেনশনও দিতে পারে না। গুজরাটে রাজ্য বাজেটের যেখানে রাজ্য সরকারের নিজস্ব আয় ৬৫ শতাংশ, সেখানে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে বাজেটের ৪২ শতাংশ মাত্র রাজ্যের আয়। ৫৮ শতাংশ আসে কেন্দ্রের থেকে। কেন্দ্রীয় সরকারের এক দফতরের টাকা অন্য দফতরে ব্যবস্থা করেছেন। আর তার হিসেব না দিয়ে এখন মানুষকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার নামে ভুল বোঝাচ্ছেন।”
কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যর সঙ্গে দেখা করে খেলো ইন্ডিয়া সেন্টার তৈরির অনুরোধ জানানো হয়েছে বিজেপি বিধায়কদের তরফে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় উত্তরবঙ্গে বিজেপি বিধায়কদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বীরভূমের দুবরাজপুরের বিধায়ক অনুপ সাহাও ছিলেন। এদিন বিজেপি বিধায়কদের প্রতিনিধি দল দেখা করেন কেন্দ্রীয় আর্বান ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরের সঙ্গেও।
মনোজ টিগ্গা ছাড়া আর কোনও সাংসদ কেন আসেননি বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে? এই নিয়ে শঙ্কর ঘোষ বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতিনীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। সংসদ চলছে। তাই সাংসদদের সংসদের ভিতরে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন।
সাংসদরা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। আমরা আমাদের তাগিদ থেকে ছুটে এসেছি। সাংসদরা সাংসদদের মতো বিষয়টি তুলবেন। আমরা আমাদের দায়বদ্ধতা থেকে ছুটে এসেছি।”
