গোটা শরীরে সিঁদুর মাখানো, অমাবস্যার রাতে শিশুকে উদ্ধার করা হল, নরবলির চেষ্টা?, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

গোটা শরীরে সিঁদুর মাখানো, অমাবস্যার রাতে শিশুকে উদ্ধার করা হল, নরবলির চেষ্টা?, বাংলার মুখ

Spread the love

পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতায় ভয়ঙ্কর অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, মূক ও বধির এক শিশুকে নরবলির চেষ্টা করল এক যুবক। শিশুকে সিঁদুর মাখিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটার আগেই তাকে উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার ও চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ঘরে লুকিয়ে রাখা ছোরা দেখে ফেলেনা এক মহিলা! এরপর? নরবলি-কাণ্ডে তোলপাড় কেরল

জানা গিয়েছে, শিশুটি বাড়িতেই ছিল। দুপুরের খাওয়া-দাওয়া সেরে ঘরে শুয়েছিল। কিন্তু, সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। কোথাও খুঁজে না পেয়ে বাড়িতে শুরু হয়ে যায় কান্নাকাটি। তা জানতে পেরে প্রতিবেশীরা তাঁদের বাড়িতে ছুটে আসেন। এরপরে প্রতিবেশীরা সকলে মিলে শিশুর তল্লাশি শুরু করেন। শেষে এলাকার একটি বাড়ি থেকেই শিশুকে উদ্ধার করেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, শিশুর গোটা শরীর সিঁদুরে ভর্তি ছিল। তাকে নরবলি দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ পেয়ে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে চন্দ্রকোনা ফাঁড়ির পুলিশ।

শিশুর পরিবারের অভিযোগ, ওই যুবক তন্ত্রবিদ্যা শিখেছে। এর আগেও নাকি তিনি দু’জনকে বলি দিয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, শনিবার অমাবস্যা থাকায় তাঁদের ছেলেকে বলি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তের। শিশুর বাবা জানান, আর দেরি হয়ে গেলে তাঁর ছেলেকে বাঁচানো যেত না। এখন তিনি চাইছেন অভিযুক্তের কড়া শাস্তি হোক যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ করতে না পারে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুর বাবা পেশায় বাদ্যযন্ত্রের কারিগর। শিশুটি জন্মানোর পর থেকে কানে শুনতে পায় না। এছাড়া কথাও বলতে পারে না। এ নিয়ে তার চিকিৎসাও চলছে। অভিযুক্ত পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। পালানোর চেষ্টা করতেই স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। পুলিশ তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও আটক করেছে। চন্দ্রকোনা থানার আইসি রাজেশ পারুয়া জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। আরও কেউ জড়িত আছে কি না জানার চেষ্টা চলছে। বিজ্ঞান মঞ্চের বক্তব্য, আধুনিক সমাজে এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সচেতন করা প্রয়োজন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *