Mitti ka Matka: গরম পড়তেই কলসির জল খাচ্ছেন? এই কাজ না করলে কিন্তু শরীর খারাপ হবেই – Bengali News | Tips you should remember before using clay pot or mitti ka matka to keep water cold during summer
গ্রীষ্মকালে, বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা জল পান করতে পছন্দ করেন। এর জন্য, বেশিরভাগ বাড়িতে, গ্রীষ্মের শুরুতে জল ঠান্ডা করার জন্য লোকেরা ফ্রিজে জলের বোতল রাখা শুরু করে। কিন্তু ফ্রিজের জল সকলের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়। চিকিৎসকেরাও সেই জল খেতে নিষেধ করেন। তাই অনেকে তীব্র দাবদাহে জল ঠান্ডা করতে ভরসা রাখেন প্রাচীন পদ্ধতিতে। বাড়িতে মাটির জালা বা কলসি কিনে এনে তাতেই জল রেখে খান। এতে একদিকে যেমন জল ঠান্ডা থাকে, অন্যদিকে তেমনই জলের স্বাদ বেশ ভাল হয়। আবার অনেকের মতে মাটির পাত্রের জল স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভাল।
আজকাল বাজারেই মাটির তৈরি পাত্র বা বোতলও পাওয়া যায়। বেশিরভাগ মানুষই সেগুলো ব্যবহার করেন। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার হিরিকের চোটে এখন আবার সেই ট্রেন্ড ফিরেও আসছে। তবে মাটির পাত্রে জল রেখে খাওয়ার আগে কিছু জিনিস মাথায় রাখাটা জরুরি। না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই গরমে যদি কলসির জল খাওয়ার প্ল্যান থাকে তাহলে এই বিষগুলিও মাথায় রাখাটা অত্যন্ত জরুরি।
১। পাত্র পরিষ্কার করা – পাত্রটি ব্যবহারের আগে, এটি ভালভাবে পরিষ্কার করুন। মাটির তৈরি পাত্রে ব্যাকটেরিয়া এবং ময়লা জমা হতে পারে, যা জল দূষিত করতে পারে। পাত্রের ভেতরে যাতে কোনও দুর্গন্ধ বা ময়লা না থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্য এটি ভালভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। গরম জল এবং বেকিং সোডার মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে, যাতে পাত্রের ভেতরের অংশ ভালভাবে পরিষ্কার করা যায়।
২। কোথায় রাখবেন – মাটির পাত্র এমন জায়গায় রাখুন যেখানে সূর্যের আলো থেকে এটি সুরক্ষিত থাকবে। তীব্র রোদে রাখা পাত্র দ্রুত গরম হয়ে যায়, যা জলের স্বাদ নষ্ট করতে পারে এবং জলও কম ঠান্ডা হবে। তা ছাড়া পাত্র দ্রুত ফেটেও যেতে পারে। ঠান্ডা এবং হাওয়া চলাচল করে এমন জায়গায় রাখাটাই ভাল।
৩। পাত্রের রক্ষণাবেক্ষণ – মাটির পাত্রের রক্ষণাবেক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাঝে মাঝে পাত্রটি পরিষ্কার করুন এবং দেখুন এতে কোন ফাটল বা ভাঙা আছে কিনা। যদি পাত্রটি ভেঙে যায় বা ফাটল ধরে, তাহলে এটি ব্যবহার করবেন না কারণ এতে জল ছিটকে পড়তে পারে বা জলে ব্যাকটেরিয়া জন্ম হতে পারে।
৪। জল পরিবর্তন নিয়মিত করুন – দীর্ঘদিন পাত্রে জল রাখলে জমা জলে ব্যাকটেরিয়া হতে পারে। তাই সময়ে সময়ে পাত্রের জল পরিবর্তন করা উচিত। প্রতিদিন নিয়ম করে জল পরিবর্তনের বিষয়টি মাথায় রাখাটাও জরুরি।