TMC-BJP: ‘হিন্দু-হিন্দু ভাই ভাই’ নিয়ে দেওয়ালে দেওয়ালে ঝগড়া তৃণমূল-বিজেপির – Bengali News | Trinamool BJP clash over ‘Hindu Hindu Bhai Bhai’ wall writing amid Bidhan Sabha Election
রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর Image Credit source: TV 9 Bangla
মালদহ: বিধানসভা ভোট নাকি ধর্মযুদ্ধ? রামনবমী নিয়ে শুভেন্দুর রণহুঙ্কার থেকে বিজেপির প্রকাশ্যে হিন্দুত্বে হিন্দুত্বের লাইনে প্রচারাভিযানে জোর দেখে এমনটাই বলছেন রাজনীতির কারবারিদের একটা বড় অংশ। ‘হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই, ছাব্বিশে বিজেপি সরকার চাই’, বিগত কয়েকদিন ধরেই গোটা রাজ্যে ছেয়ে গিয়েছে বিজেপির এই পোস্টার। যা দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মত রাখঢাক না রেখে এবার খুল্লামখুল্লা হিন্দুত্বের লাইনে হেঁটেই ভোটের ময়দানে বাজিমাত করতে চাইছে পদ্ম ব্রিগেড। যদিও পক্ষে-বিপক্ষে উঠে আসছে নানা মত। যদিও পোস্টার নিয়ে চাপানউতোর থেকে বিতর্ক দানা বাঁধতেই আসরে নেমে পড়েছে তৃণমূল। তীব্র কটাক্ষবাণ শানিয়েছে পাল্টা পোস্টারে। যা নিয়ে চাপানউতোর তীব্র হলেও একই লাইনেই রয়েছে বিজেপি। ফের হুগলিতে জোরকদমে চলল প্রচার। লেখা হল দেওয়াল। উঠে এল নতুন স্লোগান। হিন্দুদের জোট বেঁধে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন করলেন বিজেপি নেতারা।
এদিন দাদপুর থানার গোস্বামী মালিপাড়ায় বিজেপির দেওয়া লিখন কর্মসূচি চলল। তাতেই দেখা গেল ‘হিন্দুরা বাঁধো জোট, পদ্মফুলে দাও ভোট’ এর মতো নতুন স্লোগান। স্থানীয় বিজেপি নেতা অর্ঘ্য চক্রবর্তী বলছেন, “সনাতনীরা জেগে উঠেছেন। এটা আমাদের কাছে সৌভাগ্য।” কয়েকদিন আগে বাঁকুড়াতেও একই লাইনে দেওয়াল লিখন করতে দেখা যায় বিজেপিকে।
তবে বিজেপির নতুন প্রচারাভিযান দেখে খোঁচা দিতে ছাড়েনি রাজ্যের শাসকদল। ‘হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই, গ্যাসে কেন ছাড় নেই?’ ‘হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই, কিন্তু বাঙালি পূর্ণমন্ত্রী নাই!’ মঙ্গলবার থেকেই শ্যামবাজার থেকে হাতিবাগান, সল্টলেকে চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে এই পোস্টার। নিচে লেখা পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়া শাখা কর্তৃক প্রচারিত। একই ছবি দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গেও। কলকাতার পাশাপাশি মালদহেও পড়েছে পোস্টার। কোথাও লেখা, ‘হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই আধার লিঙ্কে ফাইন খাই’, আবার কোথাও লেখা, ‘রয়েছে হিন্দু-হিন্দু ভাই ভাই গ্যাসে কেন ছাড় নেই’। মালদহ শহরের ব্যস্ততম এলআইসি মোড়-সহ একাধিক এলাকায় এই বিতর্কিত পোস্টার নজরে পড়েছে।
বিতর্ক চাপানউতোরের মধ্যে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন হুগলির তৃণমূল নেতা রঞ্জন ধারা। খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “ওরা ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসকে মানে না। ভারতের সংবিধানকে মানে না। তাঁদের মুখে এসব কথা শোনা স্বাভাবিক। তবে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বাংলার বুকে চলে না।”