Calcutta High Court: ১৩ মার্চ পর্যন্ত যাদবপুরে সব মিছিলে না! বদলাতে হবে শুভেন্দুর মিছিলের রুট, সাফ জানিয়ে গেল কলকাতা হাইকোর্ট – Bengali News | No processions in Jadavpur till March 13! The route of Shuvendu’s procession will have to be changed, says Calcutta High Court
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিImage Credit source: PTI
কলকাতা: যাদবপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু মিছিলের রুট কিছুটা বদলাতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় আদালতের নির্দেশ ছাড়া আপাতত কর্মসূচি করতে পারবে না কোনও রাজনৈতিক সংগঠন। নির্দেশ বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের।
প্রসঙ্গত, যাদবপুরের ঘটনার পর থেকে যাদবপুর চত্বরে পথে নেমেছে প্রায় সব রাজনৈতিক দলই। পথে নেমেছিলেন যাদবপুরের পড়ুয়ারাও। এদিনও ডাক দেওয়া হয়েছিল নাগরিক মিছিলের। এরইমধ্যে ৯ তারিখ সুলেখা মোড় থেকে মিছিল করতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু, সেই মিছিলের অনুমতি নিয়ে চলছিল টানাপোড়েন। জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। শেষ পর্যন্ত মিছিলে অনুমতি দিলেও রুট বদলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট স্পষ্ট বলছে, শুভেন্দুর মিছিল নবীনা সিনেমা হল থেকে যাদবপুর থানার ১০০ ইয়ার্ড দূরে শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে সমস্ত বিধি নিষেধ মেনে করতে হবে মিছিলের আয়োজন। জমায়েতে থাকতে পারহেন ৭৫০ জন। সবটাই যাদবপুর চত্বর থেকে ১০০ ইয়ার্ড দূরে থাকতে হবে।
এদিন শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী ময়ূখ মুখোপাধ্যায়, রাজদীপ মজুমদারেরা। অন্যদিকে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। এদিনের সওয়াল জবাব পর্বে জোরাল যুক্তি খাঁড়া করতে দেখা যায় ময়ূককে। তাঁর দাবি, সম্প্রতি ওই এলাকায় শাসকদল কর্মসূচি নিয়েছে। বামেরাও নিয়েছে। সেগুলো কিভাবে অনুমতি পেল? তাহলে সেগুলো কীভাবে অনুমতি পেল? পাল্টা বিচারপতি বলেন, “আদালত কোনও বেআইনি কাজ সমর্থন করে না। আপনারা যাদবপুরেই কেন করছেন? আমি বলছি না আপনারা করবেন না। রাজ্যের উদ্দেশে আপনাদের অফিসারদের বলুন কাউকে যাতে অনুমতি না দেয়।” পাল্টা রাজদীপ বলেন, তাহলে বাঘাযতীন থেকে সুলেখা মোড় পর্যন্ত বা ৮বি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হোক। কিন্তু কেন তাঁরা ওই এলাকাতেই করতে চাইছেন সেই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন রাজ্যের আইনজীবী। বদলে তিনি গড়িয়া থেকে মিছিল করার কথা বলেন। সব পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে বিচারপতি স্পষ্ট জানান, সংশ্লিষ্ট থানাই আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি দেখবে। আয়োজকদেরও নজর রাখতে হবে। তারপরই জানিয়ে দেন ওই এলাকায় কোনও রাজনৈতিক সংগঠন ১৩ মার্চ পর্যন্ত কোনও কর্মসূচি করতে পারবে না।