Voter List: মরে ভূত হয়েছেন ১৬ বছর আগে,তবে ভোটার তালিকায় জীবিত শ্রীরামপুরের শেখর সাউ – Bengali News | Voter List: Two person and one epic number from sreerampur hooghly
শ্রীরামপুর: জেলায়-জেলায় ভূতুড়ে ভোটার খুঁজতে ব্যস্ত তৃণমূল কর্মীরা। এই সবের মধ্যেই শ্রীরামপুরের শিপ্রা ভট্টাচার্যের এপিক নম্বর আর শ্রীনগরের কামরান আলির এপিক নম্বর এক। ছবি আছে কিন্তু ভোটার তালিকায় নাম নেই। এমনই সব ‘ভূতুরে কাণ্ড’ দেখা যাচ্ছে শ্রীরামপুরে ভোটার তালিকায়।
ভূতুরে ভোটার খুঁজতে হুগলির শ্রীরামপুর পৌরসভার ২০ নং ওয়ার্ডে যান তৃণমূল কর্মীরা। সেখানের বাসিন্দা শিপ্রা ভট্টাচার্যের এপিক নম্বর আর শ্রীনগরের সোপিয়ান জেলার কামরান আলির এপিক নম্বর এক। তৃণমূল কর্মীরা ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপে গিয়ে এপিক নম্বর টাইপ করতে উঠে এসেছে এই তথ্য। বেশ কিছু ওয়ার্ডে নতুন ভোটার লিস্টে মৃত ব্যক্তির নাম রয়েছে। এ দিন, দুপুরে শিপ্রার বাড়িতে দলীয় কর্মীরা স্ক্রুটিনি করতে গিয়ে বিষয়টি নজরে আসে।
শিপ্রা ভট্টাচার্যের স্বামী তপন ভট্টাচার্য বলেন, “স্ত্রী এখানে ভোট দেন। দীর্ঘদিন বিছানায় শয্যাশায়ী।” শ্রীরামপুর পুরসভার কাউন্সিলর তথা শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সন্তোষ সিং বলেন, “যারা অন্য জায়গা থেকে এসে এখানে বসবাস করছেন, তাঁরা নাম তুলতে চাইছেন ভোটার লিস্টে। কিন্তু তাঁদের নাম উঠছে না। অথচ মৃতদের নাম থেকে যাচ্ছে বছরের পর বছর। শেখর সাউ মারা গিয়েছে ষোলো বছর আগে। তাঁর নাম এখনও রয়েছে ভোটার লিস্টে। শিপ্রা দেবীর এপিক নম্বর আর কাশ্মীরের এক যুবকের এপিক নাম্বার একই রয়েছে। আমরা চাই স্বচ্ছ এবং পরিষ্কার ভোটার লিস্ট। ভোটার লিস্ট ঠিক না থাকলে নির্বাচন ঠিক হয় না। দলনেত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্ক্রুটিনি করছি। যেগুলো ধরা পড়ছে সেগুলো দলের নেতৃত্বের কাছে পাঠাবো।”
