Price Hike: মাখানা থেকে হিরে-মুক্তো, এপ্রিল থেকেই দাম বেড়ে যাবে এই জিনিসগুলোর! – Bengali News | From Foxnut to Diamond, Pearl, Which Products Price Will Go up After Trump’s Tariff Imposed
নয়া দিল্লি: ছাড় নেই ভারতেরও। শুল্ক চাপাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার থেকে ভারত যে পরিমাণ শুল্ক নেয়, এবার আমেরিকাও ভারতের উপরে সম পরিমাণ শুল্ক চাপাতে চলেছে। আগামী ২ এপ্রিল থেকেই ভারতের উপরে এই শুল্ক চাপতে চলেছে। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ভারত থেকে আমেরিকায় রফতানি শিল্প ধাক্কা খেতে পারে। বাড়তে পারে বহু পণ্যের দাম।
ভারত আমেরিকা থেকে যেমন বহু পণ্য আমদানি করে, তেমনই চাল থেকে হিরের মতো বহু জিনিস রফতানিও করে। ট্রাম্পের শুল্কের খাঁড়ায় এবার ভারতীয় পণ্যের দাম বাড়তে চলেছে। কী কী সেই জিনিস, দেখে নিন-
১. খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়বে-
মাখানা: ভারত থেকে আমেরিকায় প্রচুর পরিমাণে মাখানা রফতানি করা হয়। শুল্কবৃদ্ধির কারণে এর দাম বাড়বে।
বাসমতি চাল: আমেরিকা ভারতের বাসমতি চালের সবথেকে বড় ক্রেতা। শুল্কের কোপে ভারতের চাল রফতানিতে প্রভাব পড়তে পারে।
মশলা: হলুদ, গোলমরিচ এবং এলাচের মতো মশলার দাম বাড়তে পারে শুল্ক বাড়ায়।
চিংড়ি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চিংড়ির একটি বড় বাজার রয়েছে, তবে শুল্ক বৃদ্ধি আমেরিকান ক্রেতাদের জন্য এটি ব্যয়বহুল করে তুলতে পারে।
২. রত্ন ও অলংকার
হিরে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি হিরে রফতানি করে ভারত। শুল্ক বৃদ্ধির ফলে এই শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মুক্তা: ভারতীয় মুক্তার দাম বাড়তে পারে আমেরিকায়।
সোনা ও রুপোর গয়না: ভারতীয় গয়না ব্র্যান্ডগুলির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হতে পারে কারণ আমেরিকায় রফতানি করতে খরচা বাড়বে।
৩. বস্ত্র ও পোশাক শিল্প
শাড়ি এবং পোশাক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শাড়ি এবং কুর্তার প্রচুর চাহিদা রয়েছে, তবে শুল্ক বাড়লে তার দাম বাড়তে পারে।
তাঁত পণ্য: ভারতীয় খাদি, সিল্ক এবং বেনারসি কাপড়ের দাম বাড়তে পারে।
৪. জেনেরিক ওষুধ-
ওষুধ: ভারত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা সস্তা ওষুধের উপর শুল্কের প্রভাব পড়তে পারে।
আয়ুর্বেদিক পণ্য: পতঞ্জলি এবং ডাবরের মতো ব্র্যান্ডের আয়ুর্বেদিক পণ্য আমেরিকায় ব্যয়বহুল হতে পারে।
৫. অটোমোবাইল এবং শিল্প পণ্য
বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি: ভারতীয় ইভি ব্যাটারির রফতানি প্রভাবিত হতে পারে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে।
গাড়ির যন্ত্রাংশ: আমেরিকায় ভারতীয় গাড়ির যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যেতে পারে, যার ফলে ভারতীয় কোম্পানিগুলির ক্ষতি হবে।
৬. আইটি এবং টেক ইন্ডাস্ট্রি
সফটওয়্যার পরিষেবা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা করা ভারতীয় আইটি কোম্পানিগুলির (টিসিএস, ইনফোসিস, উইপ্রো) জন্য ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।
ডেটা পরিষেবা: ভারতীয় ডেটা প্রক্রিয়াকরণ এবং ক্লাউড পরিষেবাগুলিও প্রভাবিত হতে পারে।
ভারত-মার্কিন বাণিজ্যের উপর প্রভাব-
ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বার্ষিক ১৩০ বিলিয়ন ডলার (১০.৭ লক্ষ কোটি টাকার) বাণিজ্য হয়, যার মধ্যে ভারত আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি রফতানি করে। ট্রাম্প যদি শুল্ক চাপান, তাহলে মার্কিন বাজার ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে। ফলে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করা কঠিন হয়ে উঠবে।
