ব্রাত্যর গাড়ির বনেটে হাওয়াই চটি! ওমপ্রকাশকে ‘তাড়া’, যাদবপুরে অবরোধে SFI, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

ব্রাত্যর গাড়ির বনেটে হাওয়াই চটি! ওমপ্রকাশকে ‘তাড়া’, যাদবপুরে অবরোধে SFI, বাংলার মুখ

Spread the love

যাদবপুরে ধুন্ধুমার। তৃণমূলপন্থী অধ্য়াপক সংগঠনের বৈঠক চলাকালীন কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এসএফআইয়ের বিক্ষোভের মুখে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য় বসু। এমনকী বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ গাড়ি নিয়ে ক্য়াম্পাস ছাড়ার চেষ্টা করেন শিক্ষামন্ত্রী। তখন আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা মন্ত্রীর গাড়ি আটকে দেন। তাঁর গাড়ির উপর তুমুল ঘুষি মারতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। এমনকী গাড়ির বনেটের উপর এক ছাত্র উঠে পড়েন। গাড়ির সামনে লুকিং গ্লাস ভাঙার চেষ্টা করা হয়। গাড়ির সামনের কাঁচের একাংশে চিড় ধরে যায়। একজন একটি হাওয়াই চটি গাড়ির বনেটের উপর রেখে দেয়। তবে ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের এই ভূমিকাকে ঘিরেও প্রশ্ন ওঠে।

ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে তুমুল বিক্ষোভ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ক্যাম্পাসের মধ্যেই WBCUPA ও এসএফআইয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। এমনকী ব্রাত্য বসু আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি হতেই আন্দোলনকারীরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে চলে বিক্ষোভ।

 

ওমপ্রকাশকে হেনস্থা
ওমপ্রকাশকে হেনস্থা

কার্যত যাদবপুরে পড়ুয়াদের যেখানে বিক্ষোভ চলছে সেই গেট দিয়ে প্রবেশ না করে অন্য় গেট দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রবেশ করেন।

বিজেপি যেভাবে গৈরিকীকরণ করতে চাইছে আমরা তার বিরুদ্ধে প্রচার চালাব। যারা অধ্যাপকদের বিরুদ্ধে হাত তুলতে চাইছে তারা বিজেপির ব্যাপারে চুপ কেন। তারা গৈরিকীকরণের বিরুদ্ধে কটা কর্মসূচি নিয়েছে বামপন্থীরা, প্রশ্ন তোলেন ব্রাত্য বসু।

এদিকে অধ্য়াপক ওম প্রকাশ মিশ্রকে দেখা যায় কার্যত দ্রুত পায়ে তিনি ক্যাম্পাসের মধ্যে হাঁটছেন। আর তাঁর পেছনে ছাত্রছাত্রীরা চিৎকার করছেন স্যার ক্ষমা চান এখনই । কার্যত একটা সময় তাড়া করা হয় অধ্য়াপককে। তখন ওমপ্রকাশকে বলতে শোনা যায় আমাকে মারছেন। পালটা একজন বিক্ষোভকারী বলতে থাকেন স্য়ার আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে।

 

এদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএফআইয়ের এই তাণ্ডবের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি লিখেছেন, অধ্যাপক ডঃ প্রদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাদবপুরে যারা এই অসভ্যতা করল, তাদের এবং ওই সংগঠনগুলিকে চিহ্নিত করে রাখা দরকার। প্রদীপ্ত নিপাট ভদ্রলোক। তার সঙ্গে বাঁদরামি করা কয়েকটা অসভ্যের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা দরকার। তৃণমূলের সৌজন্য মানে দুর্বলতা নয়। গায়ে হাত দেবে কেন? শাসক বলে সংযত নিশ্চয় থাকা উচিত। কিন্তু বাঁদরামি সীমা পার করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া উচিত।

কুণাল ঘোষ বলেন, এদের এত সাহস হয় কী করে? কোন এসএফআই! কেন শিক্ষামন্ত্রীকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল?

তবে এবার যাদবপুর ৮ বি বাস স্ট্যান্ডে অবরোধ শুরু করেছে এসএফআই।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *