রাতারাতি ডিগবাজি পুলিশের, পানাগড়কাণ্ডে দায়ের হল অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা
পানাগড়ের রণডিহা মোড়ে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় নৃত্যশিল্পী সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় রাত পোহাতে না পোহাতে ডিগবাজি খেল পুলিশ। সোমবার রাতে নিহত তরুণীর গাড়িই অন্য গাড়িতে তাড়া করেছিল বলে পুলিশ সুপার দাবি করলেও মঙ্গলবার সকালে অন্য গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করল পুলিশ। প্রশ্ন হল তাহলে কীসের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় নিহত সুতন্দ্রার গাড়ির বিরুদ্ধেই অন্য গাড়িকে তাড়া করার অভিযোগ তুলেছিলেন পুলিশ সুপার? রাত পোহাতে না পোহাতে পুলিশের এই ডিগবাজিতে কি তাদের তদন্তকে আরও প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল না।
মঙ্গলবার জানা গিয়েছে, সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ির আরোহী মিন্টু মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো, প্রাণহানির চেষ্টা ও অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। প্রশ্ন হল, যে ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত গাড়িটিকে কার্যত ক্লিন চিট দিয়েছিলেন পুলিশ সুপার রাত পোহাতে না পোহাতে তার বিরুদ্ধে কেন মামলা দায়ের করতে হল পুলিশকে? কেন পর্যাপ্ত তথ্য ছাড়া নিহত তরুণীর গাড়িকেই দোষারোপ করলেন পুলিশ সুপার? অভিযুক্তদের বাঁচাতে কি কোনও রকম চাপ রয়েছে পুলিশের ওপর?
জানা গিয়েছে, যে গাড়ির বিরুদ্ধে সুতন্দ্রাদের গাড়িকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সেটি বাবলু যাদব নামে এক ব্যক্তির। প্রশ্ন উঠছে, পুলিশের দাবি অনুসারে তিনি এতটাই নির্দোষ হয়ে থাকলে এখনও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন কেন? আর পুলিশই বা তাঁকে গ্রেফতার করছে না কেন? পুলিশের এই রাতারাতি ডিগবাজিতে কি পুলিশি তদন্তে আস্থায় আঘাত করবে না?