Jadavpur University: ব়্যাগিং ঠেকাতে রাতে অন্য হোস্টেলে অবাধ প্রবেশ বন্ধ! ক্ষেপে গিয়ে যাদবপুরের উপাচার্যের অফিসে তালা ঝোলালো পড়ুয়ারা – Bengali News | Jadavpur University First Year Students Locked VC Room
কলকাতা: প্রাক্তন পড়ুয়ারা বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তমনা। কিন্তু সেই বিশ্ববিদ্যালয়কেই নিয়মের ঘেরাটোপে বাঁধছে কর্তৃপক্ষ, তাই সুর চড়িয়ে প্রতিবাদে নামল প্রথম বর্ষের পড়ুয়ারা। বিশ্ববিদ্য়ালয়ের অন্দরে নাকি রাতের দিকে অবাধে যাতায়াত কমছে, এমনটাই দাবি তাদের। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রতিবাদে নেমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিসে ঝুলিয়ে দেওয়া হল তালা।
ঠিক কী দাবি পড়ুয়াদের?
রাত ১১টার পর বন্ধ হয়ে যায় হোস্টেলের দরজা। এক হোস্টেল থেকে অন্য হোস্টেলে কোনও দরকারি কাজেও যাওয়া যায় না। তাতেই আপত্তি একাংশের পড়ুয়ার। তাই হোস্টেলগুলিতে অবাধে প্রবেশের দাবি জানিয়ে আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ারা।
তবে অবাধ যাতায়াত ছাড়াও হোস্টেলের যাবতীয় দৈনিক ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী, যেমন, লাইট, ফ্য়ান, ওয়াটারকুলারের সমস্যা মেটানোর জন্যও সাত দিনের ডেডলাইন দিয়েছে তারা। এছাড়াও, দাবি জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টা হোস্টেলের ছাদের দরজা খুলে রাখারও।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের যুক্তি
গত কয়েক বছরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হোস্টেলগুলি একাংশের মানুষের কাছে যে আতঙ্ক হয়ে গিয়েছে, সেই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। মূলত, ব়্যাগিংয়ের জেরে ঘটা বেশ কয়েকটি পড়ুয়া মৃত্যু ঘটনার পরই ছড়িয়েছে এই আতঙ্ক। প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের মধ্য়েই বেড়েছে ভয়। আর সেই ভয়কে কাটাতেই ‘মুক্তমনা’ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক পরিবর্তন এনেছে কর্তৃপক্ষ। জারি হয়েছে বেশ কিছু নিয়ম। যার মধ্যে এই রাত ১১টার পর অবাধে প্রবেশ বন্ধ অন্যতম। আর তাতেই ক্ষেপে গিয়েছে একাংশের পড়ুয়ারা।
প্রসঙ্গত, বহু সংঘাতপূর্ণ পথ অতিক্রম করে গত বছরই নতুন উপাচার্য পেয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়। প্রায় তিন মাসের টালবাহানার পর সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন স্থায়ী উপাচার্য হয়েছেন বৈদ্যুতিন দূরসংযোগ বিভাগের অধ্যাপক ভাস্কর গুপ্ত। রাজ্যের দেওয়া নামেই সিলমোহর দিয়েছেন আচার্য সিভি আনন্দ বোস। এবার সেই নতুন উপাচার্যের অফিসেই তালা ঝুলিয়ে দিল প্রথম বর্ষের পড়ুয়ারা।
