Tangra Death: ফিনকি দিয়ে নয়, বরং রক্তে ভিজেছিল বিছানা, স্ত্রীদের মেরে কি পালাচ্ছিল দুই ভাই? ট্যাংরা-কাণ্ডে লালবাজারের হাতে বড় ক্লু – Bengali News | Tangra death update two brothers trying to run away from tangra lalbazar get cctv footage
ট্যাঙরায় পরতে পরতে রহস্যImage Credit source: Tv9 Bangla
কলকাতা: ট্যাংরার ঘটনায় ক্রমশই বাড়ছে রহস্য। এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন প্রণয় দে আর প্রসূণ দে। সঙ্গে ভর্তি রয়েছে প্রসূণের ছেলেও। সময় যত এগোচ্ছে ততই এই ঘটনায় উঠে আসছে নয়া মোড়। লালবাজারের তদন্তকারী আধিকারিকদের অনুমান, প্রণয় ও প্রসূণের স্ত্রীদের নিথর মৃত্যু নিশ্চিত করতেই ছুরি দিয়ে হাত ও গলা কাটা হয়ে থাকতে পারে। অপরদিকে, দুই ভাই বাড়ি থেকে বেরনোর আগে বাড়িতে রেখে গিয়েছিল ফোন। তবে কি পালানোর উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের? সবটাই রহস্যে মোড়া।
সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, রাত বারোটা পঞ্চাশ নাগাদ দুই ভাই বাড়ি থেকে বের হন। তারপর অভিষিক্তার কাছে গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানতে পেরেছে, বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে গিয়েছিলেন প্রসূণ ও প্রণয়। তবে কি পালানোর উদ্দেশ্যেই গাড়ি নিয়ে বেরোনোর সময় বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে গিয়েছিলেন তাঁরা?
ইতিমধ্যেই দুই ভাই ও তাঁদের স্ত্রীদের চারটি ফোন বাজেয়াপ্ত পুলিশের। চারটি ফোন চালু অবস্থা থেকেই উদ্ধার হয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে চ্যাট হিস্ট্রি ও কল ডিটেইলস।
হাসপাতালে কথা বলার মত অবস্থায় থাকা এক ভাইয়ের বয়ান অনুযায়ী, রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে আশেপাশেই তারা ঘুরপাক খাচ্ছিল। একটি জায়গায় তাঁরা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর রাত দুটো নাগাদ বাইপাসের দিকে এগোয়। কোন জায়গায় তাঁরা বেশি সময় অপেক্ষা করেছে তা বলতে পারেনি। তাঁদের গতিবিধি জানতে ট্রাফিক পুলিসের থেকে সিসিটিভি ফুটেজ চেয়েছে লালবাজার। আর বাড়ি থেকে বেরিয়ে দীর্ঘক্ষণ কোন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার কারণ ও ভাবাচ্ছে পুলিশকে। তাঁরা কি সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগছিল নাকি কারো জন্য অপেক্ষা করছিল?
এ দিকে, বিছানায় দুই বধূর রক্তাক্ত দেহ থাকলেও ফিনকি দিয়ে রক্ত ছিটকে যাওয়ার চিহ্ন পায়নি পুলিশ। কাটা অংশের পাশে বিছানা রক্তে ভিজে গিয়েছিল। তদন্তকারীদের প্রশ্ন, যদি তাঁরা সজ্ঞানে আত্মঘাতী হয়ে থাকেন, তাহলে রক্ত ফিনকি দিয়ে ছিটকে যাওয়ার কথা। সেই সূত্রেই খুনের তত্ত্ব আরও জোরালো হচ্ছে লালবাজারের কাছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, নিথর দেহে মৃত্যু নিশ্চিত করতেই ছুরি দিয়ে হাত ও গলা কাটা হয়ে থাকতে পারে। যদিও সবটাই স্পষ্ট হয়ে যাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। আজ সকালেই এনআরএস মর্গে শুরু হবে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া।
