Barasat: 'ওটার ওপর অনেক রাগ স্যর, পুরুষাঙ্গটা কুপিয়ে দিই', ওষুধ খেতেন, হজরতের অস্বাভাবিক যৌন চাহিদায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন জলিল ও তাঁর স্ত্রী! কেন মুণ্ড কাটেন? শুনলে শিউরে উঠবেন - Bengali News | Barasat Jalil admits why he was beheaded hazrat, reconstruction case - 24 Ghanta Bangla News
Home

Barasat: ‘ওটার ওপর অনেক রাগ স্যর, পুরুষাঙ্গটা কুপিয়ে দিই’, ওষুধ খেতেন, হজরতের অস্বাভাবিক যৌন চাহিদায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন জলিল ও তাঁর স্ত্রী! কেন মুণ্ড কাটেন? শুনলে শিউরে উঠবেন – Bengali News | Barasat Jalil admits why he was beheaded hazrat, reconstruction case

ঘটনার পুনর্নির্মাণে অভিযুক্ত জলিল Image Credit source: TV9 Bangla

বারাসত: চুরি করা সোনার ভাগ বাটোয়ারা, বাংলাদেশ যোগ অর্থাৎ চুরির মালের বাংলাদেশি লিঙ্কম্যানকে ধরিয়ে দেওয়া – হজরতের মুণ্ড কাটার ঘটনায় এসব একাধিক তত্ত্ব উঠে এসেছে এই গত দু’দিনে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জলিলকে জম্মু থেকে গ্রেফতারির পর জেরায় এ তত্ত্বই পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। কিন্তু রাত পোহাতেই যে তত্ত্ব উঠে এল, তা ছাপিয়ে গেল সব কিছুতে। মঙ্গলবার সকালে ঘটনার পুনর্নির্মাণের আগে সাংবাদিক পুলিশের সামনে ভেঙে পড়লেন মুণ্ড কাটায় অভিযুক্ত জলিল। জানাল আসল কারণ।

জানা যাচ্ছে, নিহত হজরতের সঙ্গে জলিলের স্ত্রীর সুফিয়ার একটা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সে সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতাও ছিল। জলিল সে বিষয়টা জানতেন। তবুও তিনি নাকি মেনেই নিয়েছিলেন। পরে স্ত্রীর সঙ্গে হজরতের সম্পর্কের অবনতি হয়। তার কারণও হজরতের অস্বাভাবিক যৌন চাহিদা। জানা গিয়েছে, হজরত নাকি ওষুধ খেয়ে এসে জলিলের স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতেন। তা পছন্দ ছিল না সুফিয়ার। সেই বিষয়টা জানিয়েছিলেন জলিলকে। জলিল হজরতকে বারণও করেছিলেন। কিন্তু সেই বারণ শোনেননি হজরত। সুফিয়ার সঙ্গে জোর করেই সম্পর্ক স্থাপন করতে থাকেন।

এদিন পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে ঘটনার পুনর্নির্মাণে অকুস্থলে যান জলিল। পুলিশকর্তারা জলিলের কাছে জানতে চান, কাটা মুণ্ড কোথায়  ফেলেছেন? কীভাবে খুন করা হয়েছিল হজরতকে? গোটা ঘটনার বিবরণ দেন জলিল। তা শিউরে ওঠার মতো।

যেখান থেকে হজরতের দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছিল, তার অদূরে দাঁড়িয়েই জলিল  বলেন, “এদিক থেকে হেঁটে আসছিলাম, সুফিয়া আগে ছিল স্যর, পিছনে হজরত ছিল। তারপর আমি ছিলাম। আমার কাছে একটা দাঁ ছিল, সুফিয়ার কাছে একটা হাতুড়ি ছিল। আমিই দিয়েছিলাম। ও হেঁটে যেতে যেতেই দাঁ দিয়ে পিছন থেকে ঘাড়ে মারতে থাকি স্যর। মারার পরই কাঁত হয়ে পড়ে যায়। পড়ে যাওয়ার পর আবারও মারতে থাকি। তারপর যখন হাফ মার্ডার হয়ে যায়, তখন ওকে আমি টেনে এদিকে নিয়ে আসি। সুফিয়া একবারই মেরেছিল। দাঁ দিয়ে আমি গলায় মারি আবার। এরপর এক কোপেই বডি থেকে মাথাটা আলাদা হয়ে যায়। ওর ওটার ওপর অনেক রাগ স্যর। অনেক জ্বালিয়েছে আমাকে। তারপর পুরুষাঙ্গটা আমি কুপিয়ে দিই।”

মোবাইলের সিম খুলে সিম পুঁতে দেন সুফিয়া। হাতুড়ি ছুড়ে ফেলেছিলেন ঘন জঙ্গলে। এদিন সেই সব জায়গায়ই দেখিয়ে দেন সুফিয়া ও জলিল।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *