বাংলায় ‘মিনি জামতাড়া,’ পর্দাফাঁস করল রাজ্য় পুলিশ, জালে ৪৬, অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করত এরাই, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাংলায় ‘মিনি জামতাড়া,’ পর্দাফাঁস করল রাজ্য় পুলিশ, জালে ৪৬, অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করত এরাই, বাংলার মুখ

Spread the love

সাইবার প্রতারকদের জালে কে কখন ধরা পড়ে কে জানে। একেবারে সুযোগ বুঝে কোপ মারে ওরা। তবে রাজ্য পুলিশও তাদেরকে জালে পুরতে একেবারে সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছিল। এবার সেই রাজ্য় পুলিশের হাতে  সব মিলিয়ে ধরা পড়েছে ৪৬জন। গত ১৫ দিনে সব মিলিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধরা পড়েছে ৪৬জন। তাদের কাছ থেকে প্রচুর ডেবিট কার্ড, সিম কার্ড, ক্রেডিট কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে। 

বীরভূম থেকে গ্যাংয়ের তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপরই একে একে সাইবার প্রতারকরা ধরা পড়ে পুলিশের জালে। 

বেশ কিছু ধরেই পুলিশ এদের খোঁজ চালাচ্ছিল। অবশেষে সাফল্য মিলেছে। তবে এখানেই শেষ নয়। আরও গ্রেফতারির আশায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। তবে এবার সাইবার প্রতারকদের দমনে এটা রাজ্য পুলিশের বড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে। 

এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার জানিয়েছেন, শতাধিক ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিটকার্ড সহ নানা ধরনের জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রাজ্যে সাইবার প্রতারণা রুখতে চলছে অপারেশন সাইবার শক্তি। এনিয়ে সব মিলিয়ে ৪৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরও অনেকে জড়িয়ে রয়েছে বলে খবর। 

এডিজি দক্ষিণবঙ্গ জানিয়েছেন, সাইবার প্রতারকরা পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলকেই ঘাঁটি বানাচ্ছে। সেখান থেকেই কোটি কোটি টাকার প্রতারণা চলছে। তিনি জানিয়েছেন, জামতাড়া থেকে বাংলায় ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন জেলাগুলিতে এরা আসছে। তারপর ছোট ছোট গ্যাং করে প্রতারণার ফাঁদ পাতছে। কাজ মিটে গেলে আবার নিজের জায়গায় চলে যাচ্ছে।

তিনি জানিয়েছেন, কখনও দিন পনেরো, কিংবা দিন সাতেকের জন্য় এরা জামতাড়া থেকে বাংলায় এসে নির্দিষ্ট এলাকায় প্রথমে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছে। এরপর সেখান থেকে চলছে প্রতারণার কাজ। 

কীভাবে এই প্রতারকদের খোঁজ পেল পুলিশ?

অপারেশন সাইবার শক্তি। সাইবার সংক্রান্ত তদন্তে একেবারে দক্ষ পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে তৈরি হয়েছে টিম। সেই টিম বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর চালাচ্ছিল। টানা ১ মাস ধরে বিভিন্ন সন্দেহজনক এলাকায় নজরদারি চলছিল। এরপর দিন ১৫ আগে বীরভূমের খয়রাশোল থেকে তিনজন ধরা পড়ে। এরপর একে একে বাকিদের খোঁজ পায় পুলিশ। তাদের কাছ থেকে প্রচু ফোন, সিমকার্ড, ২টো ল্যাপটপ, একাধিক আধার কার্ড, ভোটার কার্ড পুলিশ পেয়েছে। 

এরা নামী সংস্থার কথা বলে গ্রাহকদের মেসেজ পাঠাত। এটা আসলে টোপ। সেই মেসেজের লিঙ্কে ক্লিক করলেই এই প্রতারকদের খপ্পড়ে পড়তেন সাধারণ মানুষ। 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *