আরজি কর কাণ্ডে নয়া মোড়, নির্যাতিতার যোনিদ্বারে এক নারীর DNA, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

আরজি কর কাণ্ডে নয়া মোড়, নির্যাতিতার যোনিদ্বারে এক নারীর DNA, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি, বাংলার মুখ

Spread the love

আরজি কর কাণ্ডে আবহে সম্প্রতি সিএফএসএল-এর একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছিল যাতে দাবি করা হয়েছিল, নির্যাতিতার যৌনাঙ্গে কোনও বীর্য মেলেনি। তবে সেখানে যে ডিএনএ মিলেছে, তা একাধিক ব্যক্তির মিশ্রিত ডিএনএ হতে পারে। আর এবার এক রিপোর্টে দাবি করা হল, নির্যাতিতার যোনিদ্বারে যে ডিএনএ মিলেছে, তাতে এক মহিলার ডিএনএ উপস্থিত আছে। এই আবহে আরজি কর কাণ্ডে নয়া মোড়। টিভি৯ বাংলার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, নির্যাতিতার যোনিদ্বার থেকে মেলা ডিএনএ নমুনার বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, D12S391 মার্কারে অন্য মহিলার সঙ্গে নির্যাতিতার নমুনার মিশ্রণ স্পষ্ট। সেই অন‍্য মহিলার জেনোটাইপ হল 16/22। (আরও পড়ুন: ‘Now or Never’, বাংলাদেশে নয়া মোড়? কী হতে চলেছে ৩১ ডিসেম্বর?)

আরও পড়ুন: BSF-এর কপালে চিন্তার নয়া ভাঁজ, ভারতীয় ফসল কেটে ‘পেট ভরাচ্ছে’ বাংলাদেশিরা!

জানা গিয়েছে, আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় ২৯টি ডিএনএ নমুনার বিশ্লেষণ কর হয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি বা সিএফএসএলের রিপোর্টের ফলাফল পর্যালোচনা করে নাকি বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, নির্যাতিতার বৃহৎ অন্ত্রের শেষ ভাগ, স্তনবৃন্ত, যোনিদ্বারে ডিএনএ নমুনায় ‘গোলমেলে ইঙ্গিত’ রয়েছে। দাবি করা হয়েছে, নির্যাতিতার বৃহৎ অন্ত্র সহ বেশ কিছু অঙ্গ থেকে যে ডিএনএ-র নমুনা মিলেছে, তা এক নারীর। তবে সেই নমুনার কয়েকটি মার্কারে ইঙ্গিত মিলেছে যে সেই ডিএনএ নির্যাতিতার নয়। তা সঞ্জয়েরও নয়। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে অন্য এক মহিলার ডিএনএ এল নির্যাতিতার দেহে? এদিকে টিভি৯ বাংলার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, স্তনবন্ত থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, তার সাথে সঞ্জয়ের ডিএনএ মিলে যাচ্ছে। তবে ৪টি অটোসোমাল মার্কার বিশ্লেষণে নাকি অন্য পুরুষেরও ডিএনএ থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। এই আবহে ফের আরজি কর কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। (আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিচারের ‘সময়সীমা’ যেন বেঁধেই দিলেন বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা…)

এর আগে গত ২১ অগস্ট সিবিআইকে দেওয়া রিপোর্টে সিএফএসএলের তরফ থেকে বলা হয়েছিল, নির্যাতিতার শরীরে একাধিক ব্যক্তির মিশ্র ডিএনএ ছিল কি না, সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। উল্লেখ্য, প্রথম থেকেই আরজি কর আন্দোলনের প্রতিবাদীরা দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় নির্যাতিতা এবং ধৃত সঞ্জয় রায়ের একাধিক ডিএনএ টেস্ট করানো হয়েছিল। এই আবহে সিএফএসএল-এর সেই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, নির্যাতিতার স্তনবৃন্ত, পায়ু, যোনিদ্বারে সোয়াব নমুনায় ‘মাল্টিপল অটোজোমাল প্রোফাইল’-এর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ, সেখানে একাধিক ব্যক্তির ডিএনএ থাকতে পারে। আর এবার দাবি করা হচ্ছে, নির্যাতিতার দেহে মেলা ডিএনএ-তে এক নারীর ডিএনএ-ও থাকতে পারে। (আরও পড়ুন: শেষকৃত্যে মনমোহনের পরিবারকে কীভাবে ‘অপমান’ BJP-র? ‘তথ্য’ তুলে ধরে তোপ কংগ্রেসের)

এদিকে কয়েকদিন আগেই আরজি কর কাণ্ডের সিএফএসএল রিপোর্ট নিয়ে আরও একটি প্রতিবেদন ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছিল। উল্লেখ্য, সেমিনার রুমেই কি খুন হয়েছিলেন আরজি করের চিকিৎসক নাকি অন্য কোথাও খুন করে ওখানে ফেলে রাখা হয়েছিল? তা নিয়েও এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি বলে দাবি আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের। সম্প্রতি সিএফএসএল-এর এক রিপোর্টে প্রকাশ্যে আসে। সেই ১২ পাতার রিপোর্টে বলা হয়, সকলের নজর এড়িয়ে সেমিনার রুমে প্রবেশ করা ও অপরাধ করে বেরিয়ে যাওয়া অত্যন্ত ক্ষীণ। এদিকে যে ম্যাট্রেসে পাওয়া গিয়েছিল তরুণী চিকিৎসকের দেহ সেখানে ধর্ষণ খুনের সময় ধস্তাধস্তির কোনও চিহ্ন মেলেনি। এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে সিএফএসএল রিপোর্টে। প্রসঙ্গত, গত ৯ অগস্ট ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ের চারতলায় সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয়েছিল তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ। তবে সেখানেই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে সংশয় এখনও কাটেনি অনেকেরই মনে।

 

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *