MLA হস্টেল কাণ্ডে নয়া মোড়, থানায় আসতে BJP বিধায়ককে ৩ দিনের ডেডলাইন পুলিশের – Bengali News | New twist in MLA hostel case, police give BJP MLA 3 days deadline to come to police station
সুশোভন ভট্টাচার্য ও প্রদীপ্তকান্তি ঘোষের রিপোর্ট
কলকাতা: অভিষেকের নাম করে পুরপ্রধানদের ফোন করে ৫ লাখ টাকার দাবি, নাহলে পদ চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। এমএলএ হস্টেল কাণ্ডের তদন্তে তেড়েফুঁড়ে মাঠে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। একেবারে নাটকীয় কায়দায় বিধায়ক আবাসন থেকেই জুনেদুল হক চৌধুরী, শুভদীপ মল্লিক, তাসলিম শেখ নামে তিন যুবককে গ্রেফতার করেছিল। নাম জড়ায় কোচবিহারের বিজেপি বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে-র। তিনি ইমরান শেখের নামে নামে রুম বুক করেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। ইতিমধ্য়েই তাঁকে নোটিস দিয়ে দেখা করতে বলেছে পুলিশ। দেওয়া হয়েছে তিনদিনের সময়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
সেই মামলায় এবার আলিপুর দুয়ারের বিজেপি বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে চলছে কলকাতা পুলিশ। সূত্রের খবর, শেক্সপিয়ার সরণী থানার তরফে ই-মেইল করে ডাকা হয়েছে তাঁকে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নিখিল। তিনি সম্প্রতি কোনও অতিথির জন্য স্পিকারকে চিঠি দেননি। স্পষ্ট বলেছেন এ কথা। উল্টে তাঁর অভিযোগ, রেলের টিকিট নিশ্চিত করতে বিজেপি বিধায়কদের সই জাল করা হচ্ছে।
এই খবরটিও পড়ুন
তবে পুলিশ ডাকলে তিনি যে যাবেন তাও জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি ভয়ঙ্কর বলেই মনে করছেন তিনি। বিষয়টি তিনি স্পিকারকেও জানিয়েছেন। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, “নিখিল রঞ্জন দের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁর নথি জাল করে করা হয়েছে। নিখিলবাবু এই বিষয় সামনে রেখে পুলিশের কাছে অভিযোগ করবেন।” সূত্রের খবর, নিখিল রঞ্জন নিজেই ইতিমধ্যে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে এ ঘটনায় ইতিমধ্যে আলিপুরদুয়ারের বিজেপি বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে চলছে কলকাতা পুলিশ।