প্রথম শ্রেণি থেকেই এবার চালু সেমেস্টার, আগামী শিক্ষাবর্ষে কার্যকর ক্রেডিট পয়েন্ট সিস্টেম - 24 Ghanta Bangla News
Home

প্রথম শ্রেণি থেকেই এবার চালু সেমেস্টার, আগামী শিক্ষাবর্ষে কার্যকর ক্রেডিট পয়েন্ট সিস্টেম

Spread the love

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষায় বড় রদবদল হতে চলেছে। এবার থেকে প্রাথমিক শিক্ষার স্তরেও চালু হচ্ছে সেমেস্টার পদ্ধতি। কচি পড়ুয়াদের উপর থেকে চাপ কমাতে এবং পড়াশোনায় উৎসাহ তৈরি করতে চালু হবে ক্রেডিট পয়েন্ট সিস্টেমও। আজ, শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই কথা জানালেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান গৌতম পাল। সুতরাং এবার থেকে একই শ্রেণিতে দুবার করে হবে পরীক্ষা। সর্বভারতীয় পরীক্ষার প্রতিযোগিতার জন্য ছোট থেকেই গড়ে তোলা হবে পড়ুয়াদের। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তাই চালু হচ্ছে নতুন পদ্ধতি।

এদিকে প্রাথমিক পর্ষদের চেয়ারম্যানের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত হবে সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা। জুন মাসে নাগাদ হবে প্রথম পরীক্ষা। প্রত্যেক শ্রেণিতেই দু’‌বার করে হবে পরীক্ষা। এতে কচি পড়ুয়ারা সবটা শিখতেও পারবে এবং পড়া নিয়ে বাড়তি চাপও অনুভব করবে না। তবে এটা কার্যকর করার জন্য আগে থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর। আর তা করতে বদল আনা হয়েছে পাঠক্রমে। আবার একটি শিক্ষাবর্ষকে পরীক্ষার নিরিখে অর্থাৎ সেমেস্টার পদ্ধতির নিরিখে দু’‌ভাগে ভাগ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:‌ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে হাজির গোয়েন্দা পুলিশ, মজদুর ভবনে হানার নেপথ্য কারণ কী?

অন্যদিকে জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত একটি সেমেস্টার এবং জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত দ্বিতীয় সেমেস্টার হবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন বলে আজ জানিয়ে দিলেন গৌতম পাল। শিশুদের বিদ্যা শিক্ষা নিয়ে এভাবেই সহজ পদ্ধতি করা হচ্ছে। তাহলে শিক্ষার প্রতি আকর্ষণ তৈরি হবে। অনীহা নয়। সেক্ষেত্রে একটা প্রশ্নপত্রেই গোটা পশ্চিমবঙ্গের পরীক্ষা হবে। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এই নিয়ম চালু হতে চলেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই অভিভাবকরাও অত্যন্ত খুশি।

এছাড়া জাতীয় শিক্ষা নীতির উপর ভিত্তি করে এনসিইআরটি একটি পাঠক্রম তৈরি করেছে। গৌতম পাল জানান, ২০০৯ সালে রাইট টু এডুকেশন আইন অনুসারে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ‘নো ডিটেনশন’ পলিসি আছে। আর প্রাক প্রাথমিকে ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্ক আনা হবে না। প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণিতে গোটা শিক্ষাবর্ষে ৮০০ ঘণ্টা পার করতে হবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে গোটা শিক্ষাবর্ষে ১০০০ ঘণ্টা পার করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণিতে সিঙ্গল সেমেস্টারে ৩৭৬ ঘণ্টা করে ও তৃতীয় থেকে পঞ্চম সিঙ্গল সেমেস্টারে ৪৬০ ঘণ্টা কাটাতে হবে। লিখিত পরীক্ষা ৬০ ঘণ্টার হবে। মার্কসের সঙ্গে ক্রেডিট পয়েন্ট দেওয়া হবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *