Exchange Traded Fund: ETF-এর ৪টি সুবিধা বিনিয়োগের আগে জেনে নিন! – Bengali News | Exchange Traded Fund: Why the Investors will invest in ETF
এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড বা ইটিএফে বিনিয়োগের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। অনেক বিনিয়োগকারীই এখন ইটিএফে বিনিয়োগের কথা চিন্তা করছেন। আপনি যদি তাঁদের মধ্যে হয়ে থাকেন তবে আপনাকে প্রথমেই বুঝতে হবে কেন ইটিএফে বিনিয়োগ করবেন আপনি। ইটিএফ এক ধরণের মিউচুয়াল ফান্ড যা স্টক এক্সচেঞ্জে ইউনিটে লেনদেন করা হয়।
ইটিএফে বিনিয়োগের অনেকগুলো কারণ রয়েছে। ইটিএফ কেনার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা একটি নয় বরং একসঙ্গে একাধিক কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, নিফটি ফিফটি (Nifty 50) ইটিএফ নিফটি ফিফটি (Nifty 50) সূচককে ট্র্যাক করে। নিফটি ফিফটি (Nifty 50) ইটিএফ কিনলে নিফটি ফিফটি (Nifty 50) সূচকে থাকা ৫০টি স্টকে সূচকের ওয়েটেজের ভিত্তিতে সেই অর্থ বিনিয়োগ হয়ে যায়। কয়েকটি শেয়ারে বিনিয়োগের পরিবর্তে ইটিএফে বিনিয়োগ করলে একসঙ্গে একাধিক শেয়ারে সেই অর্থ বিনিয়োগ হয়ে যায়। ফলে, বিনিয়োগের ঝুঁকি কমে যায়। এর সঙ্গে বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলির বৈচিত্র অনেক বেড়ে যায়।
ইটিএফ স্টক এক্সচেঞ্জে বিকিকিনি করা হয়। ফলে ইটিএফ কেনা হলে ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে ইটিএফের ইউনিট ক্রেডিট হয়ে যায়। আর যেহেতু ইটিএফ স্টক এক্সচেঞ্জে কেনাবেচা করা যায়, ফলে একদিনের মধ্যেই ইটিএফ কেনা ও বিক্রি করে দেওয়া যায়। ইটিএফে বিনিয়োগকারীরা রিয়েল টাইমে ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। কিন্তু মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে কেনাবেচার জন্য দিনের শেষের ন্যাভ (NAV) ধরেই দাম হিসাব করা হয়।
ইটিএফের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল অ্যাক্টিভ ফান্ডের তুলনায় এতে খরচ কম। অ্যাক্টিভ ফান্ডের লক্ষ্য হল এমন রিটার্ন দেওয়া যা বেঞ্চমার্ক সূচককেও ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু, ইটিএফের মতো প্যাসিভ বিনিয়োগ বেঞ্চমার্ক সূচককে ট্র্যাক করে ও তার কার্যকারিতা হুবহু নকল করার চেষ্টা করে ও এই ইটিএফগুলোকে সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করার প্রয়োজন হয় না। এই কারণে ইটিএফের এক্সপেন্স রেশিও কম। এমন পরিস্থিতিতে ইটিএফের মতো প্যাসিভ বিনিয়োগ বিনিয়োগকারীদের জন্য একটা ভাল বিকল্প।
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ বাজারগত ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগের আগে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথি সাবধানে পড়ুন।