Ratna on Kalyan: 'একসময় কল্যাণবাবুই বলেছিলেন তুই শোভনকে ডিভোর্স দিবি না, বৈশাখী অত্যন্ত বাজে মেয়ে, অনেকের ঘর ভেঙেছে', মুখ খুললেন রত্না - Bengali News | Ratna Chatterjee said that Kalyan Banerjee talks about sovan baisakhi - 24 Ghanta Bangla News
Home

Ratna on Kalyan: ‘একসময় কল্যাণবাবুই বলেছিলেন তুই শোভনকে ডিভোর্স দিবি না, বৈশাখী অত্যন্ত বাজে মেয়ে, অনেকের ঘর ভেঙেছে’, মুখ খুললেন রত্না – Bengali News | Ratna Chatterjee said that Kalyan Banerjee talks about sovan baisakhi

Spread the love

কল্যাণকে নিয়ে কী বললেন রত্না?Image Credit source: Tv9 Bangla

কলকাতা: রত্না বন্দ্যোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ এখনও হয়নি। শোভন-বৈশাখীর হয়ে মামলা লড়ছেন আইনজীবী তথা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কোর্টে রত্নাকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন কল্যাণ। বাদ দেননি রত্নার বাবা দুলাল দাসকেও। রত্নাকে ‘ড্রামাবাজ’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন কল্যাণ। এইবার এরই পাল্টা মুখ খুললেন রত্না।

এ দিন রত্না অভিযোগ করে বলেন, “এই কল্যাণবাবু একদিন কোর্টে দাঁড়িয়ে আমাকে বলেছিলেন দুলালদার (রত্নার বাবা) দুঃখ আমি বুঝি। তুই শোভনকে ডিভোর্স দিবি না। কারণ বৈশাখী অত্যন্ত বাজে মেয়ে। অনেকের ঘর ভেঙেছে। আমি দুলালদার কষ্ট বুঝি। আমার মেয়েরও তো ডিভোর্স কেস চলছে। তাই আমি জানি দুলাল দাসের কতটা কষ্ট। হাইকোর্টে দাঁড়িয়ে এই কথা বলেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।”

এ দিন রত্নাদেবী বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি দলীয় নেতৃত্ব হিসেবে দেখছি না। উনি শোভন বাবুর থেকে টাকা নিয়ে ওকালতি করছেন। তবে উনি যে কথা বলেছেন, আমি ড্রামাবাজ? এটা কেউ বলতে পারবে না। লোকেও বিশ্বাস করবে না। কল্যাণবাবুর হঠাৎ আমাকে ‘ড্রামাবাজ’ মনে হল কেন আমি জানি না।” রত্নার বলেছেন, তিনি আট বছর ধরে এই লড়াই লড়ছেন। কল্যাণ একজন দুঁদে আইনজীবী। তাই তাঁর সমস্ত কিছু জেনে মামলা লড়তে আসা উচিত ছিল।” তিনি এও বলেন, “শুধু টাকা নিলেই বিরোধী পক্ষের হয়ে মিথ্যে কথা বলব এটা ঠিক না। আমার সঙ্গে ভগবান আছে। বাকি কাউকে দরকার নেই। ভগবান চাননি আমার ডিভোর্স হোন।” এ দিন রত্না এও বলেছেন, “আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন মুখ খোলেননি। আট বছর আমার পাশে আছেন। কল্যাণবাবুর উচিত সত্যি কথা বলা। মিথ্যে কথা না বললেই ভাল।”

গতকাল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছিল দুলাল দাসের হিস্ট্রি-জিওগ্রাফি যখন উনি জানেন। এই প্রসঙ্গে রত্না বলেন, ” উনি (কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়) যখন জানেন, তখন তাঁর বয়সটাও ঠিক জানা উচিত। দুলাল বাবুর বয়স ৮০। তাঁর সন্তান মারা গিয়েছে। তাঁর বউ মারা গিয়েছে। তাঁর মেয়ের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, তা সত্ত্বেও মনের জোরে চেয়ারম্যান এবং এমএলএ শিপ চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ ওঁর ঘাড়ে স্পন্ডিলাইটিস। ডাক্তার অপারেশন করতে বলেছেন। তাই উনি এতক্ষণ দাঁড়াতে পারবেন না তাই বলা হয়েছিল বাড়িতে গিয়ে সাক্ষী নেওয়ার জন্য। কোর্ট মানেনি তাই উনি খুরিয়ে খুরিয়ে গিয়ে সাক্ষী দিয়েছেন। আর আমার বাবার কালারফুল লাইফ নিয়ে উনি কী জানেন? আমার বাবার কালারফুল লাইফের তাহলে ভিডিয়ো দেখিয়ে প্রমাণ করুন।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *