Bangladesh: 'না মরে বেঁচে আছি আরকী!' নির্যাতন তো আপেক্ষিক, নয়া পন্থায় ভাতে মারছে বাংলাদেশ, জানালেন ওপারের সংখ্যালঘু - Bengali News | Bangladesh Potatoes are being sold in Bangladesh at 100 taka per kg! The minorities of that country are telling - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bangladesh: ‘না মরে বেঁচে আছি আরকী!’ নির্যাতন তো আপেক্ষিক, নয়া পন্থায় ভাতে মারছে বাংলাদেশ, জানালেন ওপারের সংখ্যালঘু – Bengali News | Bangladesh Potatoes are being sold in Bangladesh at 100 taka per kg! The minorities of that country are telling

Spread the love

কী বলছেন ওপারের সংখ্যালঘুরা?Image Credit source: TV9 Bangla

উত্তর ২৪ পরগনা: বাংলাদেশের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত। নির্যাতন তো চলছেই। নিত্য সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকছেন বাংলাদেশিরা। আর তাঁদের মুখেই বারেবারে উঠে এসেছে ওপারের অশান্তি, ভয়ানক পরিস্থিতির কথা। ভয়ে পালাচ্ছেন তাঁরা। ভয়-আতঙ্ক তো বটেই, জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বেড়েছেন, তাতে দুবেলা অন্ন সংস্থানই দায় হয়ে উঠেছে, সেখানকার সাধারণ মানুষের। আলু সেদ্ধ ভাত খাওয়ার মতো পরিস্থিতিও নেই। কারণ আলুই বিকোচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। বাংলাদেশে দিনমজুরি করে সংসার যাপন করেন। কিন্তু যা পরিস্থিতি থাকতে পারলেন না। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে।

মাঝবয়সী সেই দিনমজুরের বাড়িতে ৬ জন সদস্য। নুন আনতে পানতা ফুরনোর সংসারে এখন আলু কেনা বিলাসিতার সামিল তাঁর কাছে। তিনি বললেন,আলু ১০০ টাকা কেজি। আমি রোজ পাঁচশো টাকা রোজগার করলে, একশো টাকার আলুই যদি কিনি, তাহলে আর কী বাজার করব! বাকি জিনিসের দামও একইভাবে বেশি। আগে তিন বেলা খেতাম, এখন দুবেলা খাই। আমার বাড়িতে ৬ জন মানুষ।”

যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে ওপার থেকে এপারে লোক আসতেই থাকে। তা কমবে না, বরং বাড়বে, সেকথাও বললেন তিনি। বললেন, “সাধারণ মানুষের ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। ৭১ সাল থেকে এসেই যাচ্ছে। ভারতে আসছে। এসেই যাবে। আমাদের দেশে তো আর বটগাছই নেই।”

বাংলাদেশ থেকে প্রায় প্রতিদিনই পেট্রাপোল পেরিয়ে ভারতে আসছেন ওপারের বাসিন্দারা। তাঁদের মুখে শোনা যাচ্ছে, সেখানকার পরিস্থিতির কথা। তবে তাঁদের অনেকেই বলছেন, অশান্তি-নির্যাতন হচ্ছে, তবে তা সার্বিকভাবে নয়। কোনও কোনও এলাকায় তা মারাত্মক। কিন্তু যেভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে তো সার্বিক প্রভাব পড়েছেই। পরোক্ষভাবে এ নির্যাতনও চলছে ওপারে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *