Sana Saeed: কেন ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’র কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব নেই ছোট্ট অঞ্জলির?
সালটা ১৯৯৮। শাহরুখ খান, রানী মুখোপাধ্যায় ও কাজল অভিনীত 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়' সিনেমা দর্শকদের মনে দোলা দিয়েছিল। সেই সিনেমায় নজর কেড়েছিল ছোট্ট অঞ্জলি। (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)
শাহরুখ খানের মেয়ের চরিত্রে সেই সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন সানা সঈদ। ওরফে সিনেমার ছোট্ট অঞ্জলি। সেই সময় সানার ৮ বছর বয়স ছিল। (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)
কিং খানের 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়'-র সেই ছোট্ট অঞ্জলি আর নেই ছোট্টটি। এখন তাঁর ৩৬ বছর বয়স। তারপরও সেই ছোট্ট অঞ্জলির টোল পড়া হাসিমুখ সিনেপ্রেমীদের মনে আঁকা। (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)
শিশু শিল্পী হিসেবে বলিউডে সাড়া ফেলেছিলেন সানা সঈদ। বড় হয়ে সিনেদুনিয়ায় আবার পা রেখেছিলেন। কিন্তু ছাপ ফেলতে পারেননি। (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)
'কুছ কুছ হোতা হ্যায়'-র সেই ছোট্ট অঞ্জলির সঙ্গে পরবর্তীতে সেই সিনেমার অন্যদের বন্ধুত্বও ছিল না। বলি-জগতে তিনি ধারাবাহিক নন বলেই হয়তো এত দূরত্ব। সিনেদুনিয়ায় সানা সঈদ নিয়ে বলা হয়, অনেক স্ট্রাগল করেছেন। কিন্তু ফল পাননি। আর সানা নিজে কী বলছেন? (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)
ছেলেবেলায় চরম সাফল্য পেলেও বড় হয়ে বলি মঞ্চে সাফল্য অধরাই থেকেছে সানার। করণ জোহরের সিনেমা ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’-এ এক পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। কিন্তু দাগ কাটার মতো পারফর্ম করতে পারেননি। (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)
সানা সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয়। ইন্সটাগ্রামে তাঁর ফলোয়ার্স 843K। কয়েক বছর আগে এক সাক্ষাৎকারে সানা নিজের স্ট্রাগল নিয়ে প্রশ্ন করতে বলেছিলেন, 'আপনি যদি এমন কিছু করেন যেটা আপনার পছন্দ নয়, তা হলেই সেটা আপনার জন্য স্ট্রাগল। কিন্তু আপনি যেটা করতে চান এবং তা ভালোবেসে করেন, তা হলে সেটাকে একটা সফর হিসেবে দেখতে হয়। এর উত্থান-পতন রয়েছে।' (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)
সানার জন্ম লন্ডনে। এক সময় সানার বাবা চাইতেন না, তাঁর মেয়ে অভিনয় করুন। পরে এই নিয়ে সমস্যায় পড়েন তিনি। ধীরে ধীরে মানিয়ে নেন। এরপর বাবার প্রয়াণের সময় তিনি অন্ত্যোষ্টিতে অংশ নিতে পারেননি। ছিলেন লস অ্যাঞ্জেলসে। বাবার মৃত্যুতে তিনি মুষড়ে পড়েছিলেন। পরে গুছিয়ে নেন নিজেকে। (ছবি-সানা সঈদ ইন্সটাগ্রাম)







