অমিতাভের মেয়ে হওয়া সত্যেও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নেই! আক্ষেপের সুর শ্বেতার - Bengali News | Sweta Bachchan said she is not financially independent which make her upset at times - 24 Ghanta Bangla News
Home

অমিতাভের মেয়ে হওয়া সত্যেও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নেই! আক্ষেপের সুর শ্বেতার – Bengali News | Sweta Bachchan said she is not financially independent which make her upset at times

Spread the love

তিনি বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য। ছোটবেলা থেকেই বিলাসবহুল জীবন যাপন করে এসেছেন। বিদেশে পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু তার পরেও তিনি অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বাধীন নয়। ঠিক এমনটাই জানালেন অমিতাভ বচ্চনের একমাত্র কন্যা শ্বেতা বচ্চন। বিদেশ থেকে পড়াশোনা সেরে দেশে ফেরার পরেই বিয়ে হয়ে যায় তাঁর। দিল্লির এক বড় ব্যবসায়ী পরিবারে বিয়ে হয় তাঁর। অনেক ছোট বয়সেই বিয়ে করেন শ্বেতা।

একটা সময় ক্যামেরার সামনেও তাঁকে খুব একটা দেখা যেত না। কিন্তু বর্তমানে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এখন অনেক বেশি দেখা যায় তাঁকে। ইনস্টাগ্রামের পাতাতেও তিনি বেশ সক্রিয়। তাঁর দুই সন্তান। এক ছেলে এবং এক মেয়ে। শ্বেতার ছেলে অগস্ত্য নন্দকে ইতিমধ্য়েই অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে একটি ছবিতে। ছোট থেকেই তিনি অভিনয় করতে আগ্রহী। আর অন্য দিকে শ্বেতার মেয়ে নভ্যা নন্দা তিনি পড়াশোনা, বাবার ব্যবসা এবং নিজের এনজিও নিয়ে ব্যস্ত। তবে প্রভাবশালী পরিবারের মেয়ে হয়েও শ্বেতা এখনও স্বাধীন নন। সম্প্রতি এই আক্ষেপই এক সাক্ষাত্‍কারে বলে ফেললেন অমিতাভ কন্যা।

এই খবরটিও পড়ুন

শ্বেতা বলেন, “আমি এখনও অর্থনৈতিক ভাবে স্বাধীন নই। তাই আমি চাই না আমার সন্তানরাও এমনটা হোক। আমি চাই বিশেষত নভ্যা যেন নিজের পায়ে দাঁড়ায়। নিজে রোজগার করে। ওর যেন এমন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থাকে যেখানে যেটা ইচ্ছা সেটা কিনতে পারে। নিজের একটা বাসস্থান তৈরি করতে পারে। তাই নভ্যা যেমনটা করতে চায় তেমনটা করুক নিজের কেরিয়ারে সেটাই আমার জীবনের ইচ্ছা।” শ্বেতার কণ্ঠে কিছুটা আক্ষেপও শোনা গেল। উল্লেখ্য, ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের ফিসফাস ননদ শ্বেতার জন্যই নাকি ডিভোর্স হতে চলেছে অভিষেক বচ্চন এবং ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের। মেয়ের নামে বাংলো লিখে দেওয়ার পরেই শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে ঐশ্বর্যর। সত্যিটা কী? তা অবশ্য এখন অধরা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *