Homemade Oil: পাকা চুল থেকে স্প্লিট এন্ড—এই পাতার তেল মাখলে আর স্পা করানোর দরকার নেই – Bengali News | How to make curry leaves oil at home to treat split ends hair and grey hair
চুলের ঠিকমতো যত্ন নিলে একটা সময় পর চুলের অবস্থা বেহাল হতে থাকে। চুলের যত্নে দামী শ্যাম্পু ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়। শ্যাম্পু চুল ও স্ক্যাল্পে জমা থাকা ময়লা, তেল, জীবাণু পরিষ্কার করে। চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দেয় না কিংবা চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখে না। এই কাজগুলো একমাত্র তেলই করে। আর চুলে যখনই আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতার অভাব দেখা দেবে, বাড়বে স্প্লিট এন্ডের সমস্যা। তাছাড়া সারাবছর চুল পড়ার সমস্যা লেগে রয়েছে। এসব সমস্যা দূর করতে দুর্দান্ত কাজ করে কারি পাতা।
কারি পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এই পাতার তৈরি তেল থেকে চুলে ভিটামিন, মিনারেল এবং বিটা-ক্যারোটিন পৌঁছায়। নিয়মিত চুলে কারি পাতার তেল মাখলে স্ক্যাল্পের সংক্রমণও এড়ানো যায় এবং খুশকির সমস্যা দূর করা যায়। জেনে নিন চুলে কারি পাতার তেল মাখার উপকারিতা।
১) মাথার ত্বকে কারি পাতার তেল ম্যাসাজ করলে ফলিকস মজবুত হয়। স্ক্যাল্পের পাশাপাশি চুলেও কারি পাতার তেল মাখুন। এটি চুলের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনবে এবং চুলকে মসৃণ করে তুলবে।
২) চুল যদি অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়, তাহলেও কারি পাতার তেল মাখুন। চুলে স্প্লিট এন্ডের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে কারি পাতার তেল।
৩) কারি পাতার তেলে থাকা ভিটামিন এ চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের ক্ষয় প্রতিরোধ করে এবং স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
৪) নিয়মিত কারি পাতার তেল মালিশ করলে পাকা চুলের সমস্যাও এড়াতে পারবেন। রোজ কারি পাতার তেল মাখলে আর চুলে রং করার দরকার পড়বে না। চুলের অকাল পক্কতাকে প্রতিরোধ করে কারি পাতার তেল।
বাড়িতে কীভাবে বানাবেন কারি পাতার তেল-
১ কাপ কারি পাতা ধুয়ে শুকিয়ে নিন। এবার প্যানে ১ কাপ নারকেল তেল দিয়ে গরম করুন। এর পরে আধ চা চামচ কালো জিরের বীজ এবং মেথি বীজ যোগ করুন। কিছুক্ষণ নারকেল তেল দিয়ে রান্না করার পর তাতে কারি পাতা দিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য কম আঁচে রাখুন। এরপর তেলটা ছেঁকে নিন। কারি পাতার তেল ঠান্ডা হলে শিশিতে ঢেলে রাখুন।