Kanchan-Sreemoyee: বালিশে মুখ গুজে কাঞ্চনের কান্না, বরের কোন সত্যি সামনে আনলেন শ্রীময়ী? - Bengali News | Sreemoyee chattoraj opens up on bad days of kanchan mallick he used to cry - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kanchan-Sreemoyee: বালিশে মুখ গুজে কাঞ্চনের কান্না, বরের কোন সত্যি সামনে আনলেন শ্রীময়ী? – Bengali News | Sreemoyee chattoraj opens up on bad days of kanchan mallick he used to cry

Spread the love

শ্রীময়ী চট্টোরাজ-কাঞ্চন মল্লিক। টলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত জুটি। কারণ একটাই, বিস্তর বয়সের ফারাকে কাঞ্চনের তৃতীয় বিয়েই যেন একশ্রেণি মেনে নিতে পারেননি। যার ফলে চরম ট্রোলের শিকার হতে হয় অভিনেতাকে। যদিও তিনি বা শ্রীময়ী, কেউই এই বিষয়কে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ। বরং শ্রীময়ী হাসতে হাসতে জানিয়েছিলেন, এতে যেন তাঁদের ফলোয়ার আরও অনেক বেড়ে গিয়েছে। দেখতে দেখতে কয়েকমাস ঘর করে ফেললেন তাঁরা। কেমন আছেন? একে অপরকে কাছ থেকে দেখে কার কী অনুভূতি, এবার সেই প্রসঙ্গেই মুখ খুলতে দেখা গেল কাঞ্চন ও শ্রীময়ীকে। সম্প্রতি চুপ কর গস আসছে-র সাক্ষাৎকারে একে অনের নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করলেন।

শ্রীময়ী এদিন কাঞ্চনের স্ট্রাগেলকেও তালিকা থেকে বাদ রাখলেন না। কাঞ্চন যখন শ্রীময়ীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তখন শ্রীময়ী জানালেন, তিনি একটা সময় দেখেছেন একাঘরে বালিশে মুখ গুজে কাঞ্চনকে কাঁদতে। তবে বরকে ‘মুখচোরা’ বলতেও তিনি পিছপা হলেন না। হঠাৎ কেন এই প্রসঙ্গ উঠল? শোয়ের সঞ্চালিকা প্রশ্ন করেছিলেন, দুজন দুজনের প্রতি কতটা পজেসিভ? উত্তরে শ্রীময়ী বললেন, ‘কাঞ্চন একেবারে পজেসিভনেস দেখায় না। বোঝায়ও না। কাঞ্চন হচ্ছে খুব নরম স্বভাবের। এটা ভাল গুণও বলতে পারো, খারাপ গুণও বলতে পারো। কাঞ্চন হচ্ছে মুখ চোরা। এমনও হয়েছে দিনে হয়তো গুনে গুনে তিনবার আমি তোময় ভালবাসি বলেছে। না, ওর মধ্যে নেই সেটা। কিন্তু প্রেমিক মানুষ। প্রেমটা আছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ও পজেসিভনেসটা দেখায় না। কিন্তু যখন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন ও বুঝিয়ে দেয়, আমার মনে হচ্ছে কোথাও আমি অসুরক্ষিত।’

আর এই হাসি-মজা দিয়েই সাজানো তাঁদের সংসার। কাঞ্চন নিজের স্বীকার করে নেন, অতীতে তিনি এমন অনেক কিছু করেননি, যা এখন তিনি করেন। বেড়াতে যাওয়া থেকে শুরু করে নিজেকে নিয়ে ভাবা, সবটাই তিনি এখন উপভোগ করছেন শ্রীময়ীর হাত ধরে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *