Aradhya Bachchan: 'মেয়েকে হাত ব্যাগের মতো...', আরাধ্যার সঙ্গে প্রকাশ্যে এ কী করলেন ঐশ্বর্য? - Bengali News | When aishwarya rai bachchan get badly trolled for this this reason - 24 Ghanta Bangla News
Home

Aradhya Bachchan: ‘মেয়েকে হাত ব্যাগের মতো…’, আরাধ্যার সঙ্গে প্রকাশ্যে এ কী করলেন ঐশ্বর্য? – Bengali News | When aishwarya rai bachchan get badly trolled for this this reason

Spread the love

ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। বেশ কিছুদিন ধরেই খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কারণ একটাই, বচ্চন পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। বলিউডে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন অভিষেক বচ্চন। এমন অবস্থায় ছোট্ট আরাধ্যায় নাকি থাকছেন মায়ের সঙ্গেই। মেয়েকে আগলেই পথ চলতে দেখা যায় ঐশ্বর্যকে। যদিও তাঁদের দূরত্বের খবর এখনও পর্যন্ত তাঁরা নিজে মুখে কিছুই জানাননি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ভাইরাল। কেউ কটাক্ষ করছেন ঐশ্বর্যকে, কেউ আবার অভিষেক বচ্চনকে। তবে মাঝে মধ্যেই ‘মা’ ঐশ্বর্যকে কটাক্ষের শিকার হতে হয় নেটিজেনদের হাতে।

ছোট্ট আরাধ্যাকে নাকি এতটাও আগলে রাখা উচিত নয়, মত নেটিজেনদের। একবার ঐশ্বর্য যা করেন তা মোটেও মেনে নিতে পারছিল না টেলিপাড়ার একশ্রেণি। রাত পার্টিতে মেয়েকে নিয়ে হাজির হতে দেখা যায় ঐশ্বর্য রাই বচ্চনকে। সেখানেই আরাধ্যার সঙ্গে তাঁকে নাচতেও দেখা যায়। তবে আরাধ্যাকে জাপটে ধরে ছিলেন তিনি। আগলে রেখেছিলেন মেয়েকে। মোটেও কোল ছাড়া করেননি তাঁকে। আর ঠিক সেই কারণেই এক শ্রেণি রে-রে করে ওঠে। আরাধ্যার পেজ থেকে এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই একের পর এক কমেন্টে ঐশ্বর্যকে তোপ দাগলেন নেটিদুনিয়া।

কেউ লিখলেন, ‘বেচারা, সব সময় মায়ের সঙ্গে থাকলেও খুলে মজা করতে পারে না’। কেউ লিখলেন, ‘ঐশ্বর্য তাঁর মেয়েকে একটুও ছাড়েন না।’ কারও কথায়, ‘মেয়েকে মন খুলে নাচতেই তো দিচ্ছেন না।’ কেউ কেউ কটাক্ষ করে বললেন, ‘আপনার মেয়ে কোনওদিনও বড় হবে না।’ কেউ আবার লিখলেন, তিনি তাঁর মেয়েকে হাত ব্যাগের মতো ব্যবহার করেন। মেয়েকে একটু নিঃশ্বাস নিতে দিতে হবে। কারও প্রশ্ন, কেন মেয়েকে একা ছাড়েন না বলুন তো? অপর শ্রেণি আবার প্রশংসা করতে পিছপা হলেন না। কেউ লিখলেন, কত ভাল মা, কখনও মেয়েকে একা ছাড়ে না। কেউ আবার লিখলেন, মিডিয়ার থেকে মেয়েকে সব সময় তিনি আগলে রাখেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *