Kolkata: ‘আমরা ঠাট্টা করে বলতাম কলকাতা হল বিহার-রাজস্থানের রাজধানী’, অবাঙালি বিতর্কে রুদ্রপ্রসাদ – Bengali News | Mamata Banerjee: Rudra Prasad Comment On Non Bengali Increasing In Bengal
নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদImage Credit source: Tv9 Bangla
কলকাতা: রাজ্য়ে কি বাড়ছে অবাঙালিদের প্রভাব? সোমবারের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে তেমনটাই ইঙ্গিত করছে রাজনৈতিক মহলে। ফুটপাত দখল, ভিনরাজ্যের অবাঙলিদের বসিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই নেতা-প্রশাসনিক আধিকারিকদের আঁতাতের অভিযোগে শিলমোহর দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। বাঙালির আবেগ বিপন্ন। এতদিন নজরে থাকলেও কেন সরব হলেন না? প্রশ্ন বিরোধীদের।
বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত বলেন, “রাস্তাঘাটে যখন হাঁটি বিভিন্ন সময়ে হিন্দি ভাষা শুনি । কলকাতায় এখন অবাঙালির সংখ্য়া বাড়ছে। এটা বড় বিষয়। এক সময় আমরা নিজেদের মধ্যেই ঠাট্টা করে বলতাম কলকাতা হল বিহার ও রাজস্থানের রাজধানী। তবে বাঙালি সকলকে নিজের করে নিতে পারে। এটা বাঙালির গর্ব ও দুর্বলতাও। কিন্তু সরকারের বুঝতে এটা অনেকটা দেরি হয়েছে। আগের সরকারও করেছেন। জ্যোতিবাবুও একসময় অবাঙলি তোষণ করেছেন” অপরদিকে, বাংলাপক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এটা বোঝার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাই। তবে বহিরাগতদের তোষামদ করার জন্য শাসকদলের বেশ কয়েকজন নেতা রয়েছেন তাঁরাই যথেষ্ঠ।”
গতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “রাজ্যের জমি কারোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। যখন ইচ্ছা যখন বসিয়ে দেব। আমি একটা রাজ্যের রেভিনিউ পাই। সেখান থেকে কেন্দ্র টাকা দেয় না। এখন পাঁচটা রাজ্যের সব আমায় টানতে হচ্ছে। এরপর তো এই রাজ্যের পরিচয় নষ্ট হয়ে যাবে। বাংলায় কথা বলার লোক খুঁজে পাবেন না। হিন্দি, ইংরেজি এখন সবাই জানে। প্রতিটি রাজ্যের একটা পরিচয় আছে, সংস্কৃতি আছে। তবে বাংলার পরিচয় যাঁরা নষ্ট করার চক্রান্ত করছেন আমি তাঁদের সকলকে সাবধান করছি। অর্থের বিনিমনে এ রাজ্যের পরিচয় যেন নষ্ট না হয়।” এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ঠ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “উনি তো পথ দেখিয়েছেন। কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিনহা, ইউসুফ পাঠানকে নিয়ে এসেছেন। তবে আমরা খুশি। আমাদের রাজ্যের লোকজন বহুত্ববাদে বিশ্বাসী। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন আরএসএস-এর মতো কথা বলছেন। ওরা যেমন ধর্মের বিনিময়ে ভাগাভাগি করেন। তেমন উনিও বাঙালি-অবাঙালি ভাগাভাগি করছেন।”