Weight Loss Tips: সকালে খালি পেটে ব্যায়াম করার অভ্যাস ভাল? নাকি বাড়ছে রোগের ঝুঁকি? – Bengali News | Should you workout on an empty stomach? Here are the pros and cons
ক্যালোরি পোড়াতে গেলে দিনের শুরুতেই ব্যায়াম করা উচিত। এতে কাজ করার এনার্জিও পাওয়া যায়। কিন্তু প্রশ্ন হল, খালি পেটে ব্যায়াম করলে কিংবা হালকা কিছু খাবার খেয়ে? ভারী পেটে একদমই ব্যায়াম করা উচিত নয়। এতে ব্যায়াম করাও যায় না। কিন্তু হালকা খাবার খেয়ে ব্যায়াম করলে বেশি উপকার মেলে নাকি খালি পেটে ওজন ঝরানো বেশি সহজ হয়, অনেকেই বুঝতে পারেন না। চলুন এরই উত্তর খুঁজে বের করি।
স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলের জন্য, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য যোগব্যায়াম করা ভীষণ জরুরি। প্রতিদিন ওয়ার্কআউট করলে পেশির স্বাস্থ্য উন্নত হয়, মেটাবলিজম বাড়ে, মন ভাল থাকে এবং হৃদরোগের মতো ক্রনিক অসুখের ঝুঁকি কমে। এর সঙ্গে সঠিক খাদ্যাভ্যাস আপনার জীবনের আয়ু বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু খালি পেটে ব্যায়াম করলে কি বেশি উপকার মেলে? অনেকেই হয়তো জানেন না, এই খালি পেটে ব্যায়ামকে ‘ফাস্টেড কার্ডিয়ো’ বলে। গত কয়েক বছর ধরে ট্রেন্ডে রয়েছে এটি। বিশেষত, যাঁরা বাড়িতেই হালকা শরীরচর্চা করেন, তাঁদের খালি পেটে ব্যায়াম করাই বেশি পছন্দ।
খালি পেটে যোগব্যায়াম করলে দেহে শক্তি উৎপন্ন করার জন্য বেশি বেশি খাটতে হয়। এতে দ্রুত হারে ফ্যাট গলতে থাকে। অন্যদিকে, খালি পেটে ব্যায়াম করলে ইনসুলিন সেনসিটিভি উন্নত হয়। এতে ওজন কমানো এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হয়। মূলত খালি পেটে ওয়ার্কআউট করলে শক্তির জন্য শরীর জমে থাকা চর্বিকে ব্যবহার করে। আর এভাবেই চর্বিগুলো গলতে থাকে।
এই খবরটিও পড়ুন
খালি পেটে ব্যায়াম করলে ওজন কমে ঠিক। কিন্তু এটা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী কি না, সেটাও জানা দরকার। খালি পেটে যোগব্যায়াম করলে, আপনি বেশিক্ষণ ওয়ার্কআউট করতে পারবেন না। একটু ব্যায়াম করেই হাঁপিয়ে যেতে পারেন। শরীরে এনার্জির ঘাটতি তৈরি হবে। শরীর দুর্বল হয়ে যাবে এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। এছাড়া সকালে ইনসুলিনের মাত্রা ঠিকঠাক না থাকার কারণে সুগার লেভেল বেড়েও যেতে পারে। এতে ওজন কমার বদলে শরীর আরও খারাপ হয়ে যেতে পারে।
ওয়ার্কআউট শুরু করার আগে হালকা খাবার খেতে পারেন। আমন্ড, আখরোট, পিনাট বাটার ও আপেলের মতো হালকা স্ন্যাকস খুব উপকারী। এছাড়া যদি মনে করেন, সম্পূর্ণ খালি পেটে ব্যায়াম করবেন, তাহলে ওয়ার্কআউট করার সময় প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। এতে শরীর ডিহাইড্রেট হবে না। আর শরীরে এনার্জিও মিলবে।