অভিনয়ে টিকে থাকতে কি সত্যি ফিগার লাগে? সত্যি সামনে আনেন মনামী – Bengali News | When monami ghosh opens up on secrets of tollywood industry will a girl need to be slim always
মনামী ঘোষ। বয়স যেন তাঁর উল্টো পথেই হাঁটছে। দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে উঠছেন টলিপাড়ার এই সুন্দরী। তাঁকে যেন আরও একবার নতুন করে আবিষ্কার করা। সিনেমা, লাইট, ক্যামেরা, মানেই স্বপ্নের নারী। ফ্রেমে ফিগার যেন হয় পারফেক্ট। নায়িকা মানেই এই একটা সংজ্ঞা মনে গেঁথে গিয়েছে যেন সকলের। তবে অন্দরমহলের ছবিটা কি? ইচ্ছে মতো খাবার না খেয়ে, স্বাদ আল্লাদ ত্যাগ করে কেবল কড়া ডায়েটে নিজেকে পাল্টে ফেলাই কি বাস্তব ছবি? শরীরে মেদ মানেই কি সিনেপাড়া থেকে বাদ? এমন চিন্তাই কি তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় সকল অভিনেত্রীকে? এই মর্মে TV9 বাংলাকে মনামী ঘোষ জানান, সত্যিই ক্যামেরার পিছনের ছবিটা কী?
মনামী ঘোষের কথায়, ”না গো, এখন আর এটা হয় না। এটা এখন যার-যার ব্যক্তিগত বিষয়। পরিচালকদের যখন যেমন চরিত্র লাগে, তাঁরা তেমন অভিনেতা-অভিনেত্রী খুঁজে নেন। শরীরের বাড়তি মেদ এখন অভিনয় জগতে পিছিয়ে যাওয়ার কারণ কখনওই নয়। এটা একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। আমি এমন থাকতে পছন্দ করি, তা-ই থাকি। কেউ মনে করেন তিনি খেতে ভালবাসেন বা তাঁর একটু স্থুল চেহারাই পছন্দ, তিনি তা-ই করেন। বিশেষ করে ত্বকের রঙ… এখন আর এগুলো আলোচনা করাই হয় না, বিশ্বাস করো। যে চরিত্রের জন্য যেমন স্টার পছন্দ, তাঁকেই ডেকে নেওয়া হয়। অভিনয়টাই মূল কথা। সেটা জানলেই হবে। পর্দায় যাঁকে তুমি দেখছ, তিনি চরিত্র। আর ব্যক্তিগত জীবনে যে যেমন থাকতে চায়, তিনি তেমনভাবেই থাকেন। ভেতর থেকে সুস্থ থাকাটাই প্রয়োজন। একটা উদাহরণ দিলে বুঝতে পারবে: ‘বেলাশুরু’তে তুমি দেখবে আমি বেশ মোটা, কারণ আমার চরিত্রটা বাড়িতে বসে থাকে, কোনও কাজ করে না। নিজের খেয়াল রাখে না, অশান্তি করে, ফলে তার মোটা হওয়াটাই স্বাভাবিক, সেটাই দেখানো হয়েছে।”