Smriti Mandhana: স্মৃতি মান্ধানার অনন্য রেকর্ড, দক্ষিণ আফ্রিকাকে ক্লিনসুইপ করল ভারত – Bengali News | IND W vs SA W: Smriti Mandhana breaks record for most runs by Indian woman in bilateral ODI series
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অল্পের জন্য সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক হল না স্মৃতি মান্ধানার। তবে জয়ের হ্যাটট্রিক হয়েছে ভারতের। অনন্য নজিরও গড়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের কুইন স্মৃতি মান্ধানা। তাঁর রেকর্ডে ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩ ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে ক্লিনসুইপ করল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। সিরিজের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন স্মৃতি। দ্বিতীয় ম্যাচেও সেঞ্চুরি। শুধু তাই নয়, দ্বিতীয় ম্যাচে আরও এক প্রাপ্তি ছিল। আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে প্রথম বার বোলিংয়ে এসে দ্বিতীয় বলেই উইকেট নেন স্মৃতি। তৃতীয় ম্যাচেও দলের জয়ে বড় অবদান রাখলেন।
বেঙ্গালুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ ৩-০ জিতল ভারত। এ দিন তৃতীয় ওয়ান ডে-তে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকা ক্যাপ্টেন লরা উলফার্ট। লরা ও তাজমিন শুরুটা দুর্দান্ত করেন। মিডল অর্ডার মজবুত হতে দেননি ভারতীয় বোলাররা। লরা ৬০ রান করেন। লোয়ার অর্ডারের ছোট ছোট অবদানে ভারতকে ২১৬ রানের টার্গেট দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
তৃতীয় ওয়ান ডে তেও শুরু থেকে বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করছিলেন স্মৃতি। দ্রুতই হাফসেঞ্চুরি পেরিয়ে যান। ক্রমশ সিরিজের তৃতীয় সেঞ্চুরির দিকে এগচ্ছিলেন। শুধু তাই নয়, সক্রিয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ওয়ান ডে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ার পথে ছিলেন স্মৃতি। যদিও বাঁ হাতি স্পিনার মালাবার বোলিংয়ে সুইপ শট খেলতে গিয়ে ব্যাটের টপ এজ লাগে। আয়োবঙ্গা খাকার ক্য়াচে ৮৩ বলে ৯০ রানে ফেরেন স্মৃতি। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হতাশার মুহূর্ত দর্শকদেরও।
সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক মিস হলেও দ্বিপাক্ষিক ওডিআই সিরিজে সবচেয়ে বেশি রানের নজির গড়লেন স্মৃতি। তিন ম্যাচ মিলিয়ে স্মৃতি করেছেন ৩৪৩ রান। ছাপিয়ে গিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক লরা উলফার্টের রেকর্ড। তাঁর ছিল ৩৩৫ রান। ভারতীয়দের মধ্যে এই রেকর্ড ছিল জয়া শর্মার। ২০০৩-০৪ মরসুমে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫ ইনিংসে ৩০৯ রান করেছিলেন জয়া। পরের মরসুমে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৭ ইনিংসে ২৮৯ রানের রেকর্ড ছিল কিংবদন্তি মিতালি রাজের।
তৃতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ২১৬ রানের টার্গেট ৪০.৪ ওভারেই পূরণ করে ভারত। ৬ উইকেটে জয়। স্মৃতির ৯০ ছাড়াও অবদান রেখেছেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউর (৪২) ও অন্যান্যরা।