Madan-Rachana: ২৯ আসন পেতেই ২৯ দম্পতিকে নিয়ে জমাইষষ্ঠীর জমকালো সেলিব্রেশন, ‘শ্বশুর-শাশুড়ির’ ভূমিকায় মদন-রচনা – Bengali News | Madan rachana jamaishashti celebration with 29 couples after getting 29 seats in lok sabha
কলকাতা: লোকসভায় তৃণমূলের আসন ২৯, লোকসভার ফলে চাঙ্গা তৃণমূল। ফল বেরোনোর পর বাঙালির প্রথম বড় উৎসব জামাই ষষ্ঠী। তাই সেলিব্রেশন হয়ে গেল ভবানীপুরে। ৬২ পল্লি পুজো প্রাঙ্গণে বুধবার স্পেশ্যাল ২৯ জোড়া মেয়ে-জামাই বরণ করতে পুরোদস্তুর শ্বশুরের ভূমিকায় দেখা গেল মদন মিত্রকে। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের নবনির্বাচিত সাংসদ তথা অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত যাদের আলাদা করে জামাইষষ্ঠী পালন করার সামর্থ্য নেই সেই সমস্ত দুঃস্থ পরিবারের লোকজনদের নিয়েই পালন করা হল জামাইষষ্ঠীর অনুষ্ঠান।
এদিকে এদিন আবার জমাইষষ্ঠীকে সামনে রেখে বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও তোপ দাগেন মদন। বলেন, “ওদের আশীর্বাদ করতে আমি আর রচনা এসেছি। আমরাই আসলে শ্বশুর-শাশুড়ির ভূমিকায় রয়েছি। ২৯ জন দম্পতিকে ডাকা হয়েছে। আমরা ২৯ আসলে জিতেছি। সে জন্যই ২৯ দম্পতিকে ডাকা হয়েছে। যাঁদের পরিবারের অবস্থা খুবই খারাপ, যাঁরা এই উৎসবে সামিল হতে পারে না। আমরা আজ তাঁদেরই ডেকেছি। আমরা বলছি আয় মোদী দেখে যা বাংলার সংস্কৃতি কাকে বলে। এই বার্তাই ওনাকে দিচ্ছি।”
ইলিশ থেকে চিংড়ি মাছ, দই থেকে মিষ্টি, কী ছিল না এদিনের মেনুতে। সব নিজের হাতে পরিবেশন করতে দেখা যায় রচনাকে। শেষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মদনের প্রশংসায় পঞ্চমুখও হতে দেখা যায় তাঁকে। বলেন, “যাঁরা আজ জামাই ষষ্ঠীতে সামিল হলেন তাঁদের কারও শাশুড়ি নেই। মদনদাই মূল উদ্যোক্তা। উনি এ ধরনের নানা মজার মজার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। সে জন্যই তিনি এত জনপ্রিয়। আমাকে ডাকলে আমি আসার চেষ্টা করি। আজ উনি আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমি এসেছি।”