Asansol: আসানসোলে ডাকাতদলের মুখোমুখি দম্পতি, অভিজ্ঞতা শুনলে শরীরে বইবে ঠান্ডা স্রোত – Bengali News | Attempt to robbery at mahishila colony asansol one injured
আক্রান্ত নয়ন দত্ত। Image Credit source: TV9 Bangla
পর পর ৬ জন শোরুমে ঢোকে। হাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। কয়েক মিনিটের ‘অপারেশন’ চালিয়ে দোকান থেকে দুষ্কৃতীরা বেরিয়ে আসতেই মুখোমুখি পুলিশ। এরপরই শুরু গুলির লড়াই। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “ওরা গুলি চালাচ্ছিল, পুলিশও গুলি চালায়। অনেক রাউন্ড গুলি চলে।” একজন আহতও হয়। তবে তাকে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় বাকিরা।
এদিকে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আসানসোলের মহিশিলা কলোনিতে আরও একটি ঘটনা ঘটে। গাড়ি নিয়ে এক দম্পতি যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, মহিশিলায় তাঁদের গাড়ি আটকায় একদল দুষ্কৃতী। বন্দুক দেখিয়ে গাড়িটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে তারা। বাধা দেওয়ায় হুমকি, তারপর গুলি।
গাড়ির মালিক নয়ন দত্ত বলেন, “প্রথমে আমাকে বের করে নিল। আমার মেয়ে, বাচ্চাকে টানাটানি শুরু করে। এরপর আমার দিকে বন্দুক তাক করে। কোনওভাবে বেঁচে যাই। আরেকজনেরও লেগেছে। তারপরও ওরা পালায়।” পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, যে ডাকাতদল রানিগঞ্জে হামলা চালায়, তারাই আসানসোলের মহিশিলায় গাড়ি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করতে পারে।
তবে এই প্রথমবার নয়। সোনার দোকান হোক বা অর্থলগ্নি সংস্থা, গত কয়েক বছরে বারবার দুষ্কৃতী তাণ্ডবের ঘটনা দেখেছে আসানসোলবাসী। দিনেদুপুরে অস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীদের দাপাদাপিও দেখেছেন তাঁরা।
রানিগঞ্জের একদিকে বাঁকুড়া জেলা, অন্যদিকে জামুড়িয়া হয়ে বীরভূম। আবার আসানসোল হয়ে ঝাড়খণ্ডেও যাওয়া যায়। সেদিকে যেতে পারে ডাকাতদল, বলে মনে করা হচ্ছে। জেলার মোড়ে মোড়ে নাকা চেকিং চলছে। রানাঘাট, পুরুলিয়া, খড়গপুর থেকে আসানসোল, গত এক বছরে বারবার দুষ্কৃতীদের টার্গেট সোনার দোকান। তবে কারণটা কী? বড় প্রশ্ন এটাই।