আরাধ্যার প্রাইভেট টিউটার তাঁর কলেজ 'ড্রপআউট' মা ঐশ্বর্যই, রোজ সন্ধ্যায় পড়ান মেয়েকে... - Bengali News | Do you know who teaches aradhya bachchan at home you will be astonished to know the answer - 24 Ghanta Bangla News
Home

আরাধ্যার প্রাইভেট টিউটার তাঁর কলেজ ‘ড্রপআউট’ মা ঐশ্বর্যই, রোজ সন্ধ্যায় পড়ান মেয়েকে… – Bengali News | Do you know who teaches aradhya bachchan at home you will be astonished to know the answer

Spread the love

ঐশ্বর্য রাই বচ্চন-আরাধ্যা বচ্চন।

ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং অভিষেক বচ্চনের একমাত্র কন্যা সন্তানের নাম আরাধ্যা। ১২ বছর বয়স তাঁর। ২০১২ সালে জন্ম। এই মেয়েকে নিয়েই সারাদিন ব্যস্ত থাকেন ঐশ্বর্য। মেয়েকে একেবারেই কাছ-ছাড়া করেন না তিনি। ন্যানিদের ভরসায় মেয়েকে মানুষ করছেন না ঐশ্বর্য। মেয়ের সমস্ত দেখভালের দায়িত্ব নিজেই তুলে নিয়েছেন কাঁধে। আরাধার জন্যই অনেক ছবির কাজের অফার ফিরিয়েছেন ঐশ্বর্য। দেশ-বিদেশে নানা অনুষ্ঠানের ডাক পান ঐশ্বর্য। তবে মেয়েকে অন্য কারও ভরসায় ছেড়ে নিজের স্বপ্নপূরণে ছুটে যান না তিনি। ফলে ছোট থেকেই মায়ের প্রত্যেক অনুষ্ঠানের ছায়াসঙ্গী আরাধ্যা। মেয়েও জানে মায়ের পরিধি ঠিক কতখানি। এই আরাধ্যাকে নিয়মিত লেখাপড়ায় সাহায্য করেন ঐশ্বর্য। ‘দসভি’ ছবির প্রচারে এসে আরাধ্যার বাবা অভিষেক বচ্চন জানিয়েছিলেন, তাঁর কন্যাকে একা হাতে মানুষ করছেন ঐশ্বর্য। এবং তাঁর লেখাপড়াটাও ঐশ্বর্যই দেখেন। যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, ঐশ্বর্য নিজেই মেয়েকে পড়ান।

কেমন ছাত্রী ঐশ্বর্যর কন্যা আরাধ্যা? এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্য বলেছিলেন, “আরাধ্যা ভাল ছাত্রী। খুব তাড়াতাড়ি পড়া বুঝতে পারে।” মুম্বইয়ের একটি ভীষণ দামী স্কুলে পড়ে আরাধ্যা। সেই স্কুলটির নাম ধীরুভাই আম্বানি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। স্কুলের মাসিক বেতনে ১ লক্ষ ৭০ হাজার। আন্তর্জাতিক স্কুলে পড়ার সুবিধে এটাই, প্রত্যেক বিষয়ে বাচ্চাদের বিশেষ খেয়াল নেওয়া হয়। বাচ্চার মধ্যে যদি কোনও বিশেষ বিষয়ের প্রতি আগ্রহ থাকে, তা হলে সেই বিষয়টি নিয়ে আরও বেশি মনযোগ সহকারে পড়ানো হয়।

যতই শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকুক না কেন, ঐশ্বর্য কিন্তু পুরোটা তাঁদের ভরসায় ছাড়েন না। সাধারণ পরিবারের বাবা-মায়ের মতো হাজার কাজের ফাঁকেও মেয়ের কাছে বসেন পড়াশোনা নিয়ে। তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, কোথায় অসুবিধা হচ্ছে। আরাধ্যা জানে, মা তাঁর বন্ধু। ফলে প্রত্যেক সমস্যার কথা অবলীলায় সে বলতে পারে মাকে।

এই খবরটিও পড়ুন

ঐশ্বর্য নিজেও একজন মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। পরিবারের সকলেই লেখাপড়ার সঙ্গে যুক্ত। বাবা ছিলেন বিখ্যাত বায়োলজিস্ট। দাদা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। ঐশ্বর্য ক্লাসের প্রথম হতেন। শুরুতে হতে চেয়েছিলেন ডাক্তার। পর মন পাল্টে ভর্তি হয়েছিলেন রচনা সংসদ অ্যাকাডেমি অফ আর্কিটেকচারে। আর্কিটেক্ট হতে চেয়েছিলেন তিনি। মডেলিংয়ের জন্য লেখাপড়া ছাড়েন। একে সুন্দরী, তায় লেখাপড়ায় মেধাবী। ঐশ্বর্য সব অর্থেই রূপে লক্ষ্মী, গুণে সরস্বতী। তাঁর মেয়ে যে মায়ের ছায়া হবেই, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *