Share market: দালাল স্ট্রিটে দৌড়চ্ছে খেপা ষাঁড়! রেকর্ড উচ্চতায় সেনসেক্স, নিফটি – Bengali News | Nifty at all time high, Sensex breaches 75000 mark on thursday
মুম্বই: দালাল স্ট্রিটে হইচই। বৃহস্পতিবার (২৩ মে), নয়া রেকর্ড গড়ল ভারতীয় স্টক মার্কেটের দুই বেঞ্চমার্ক সূচক – বিএসই সেনসেক্স এবং এনএসই নিফটি৫০। দিনের বেলায়, সেনসেক্স প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ৭৫,৪৯৯.৯১ পয়েন্টে পৌঁছয়। এর আগে সেনসেক্স কখনও এই উচ্চতায় ওঠেনি। অন্যদিকে, বিকেলের লেনদেনের সময় নিফটি৫০ সূচকও প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ২২,৯৯৩.৬০ পয়েন্টের রেকর্ড-উচ্চতায় পৌঁছয়। এই প্রথম নিফটি৫০ ২২,৮০০ পয়েন্টের উপরে লেনদেন করল। এর ২২,৭৯৪ পয়েন্টই ছিল নিফটি৫০-র সর্বোচ্চ অবস্থান। এদিন বাজার বন্ধের সময়, সেনসেক্স ১,১৯৬.৯৮ পয়েন্ট বা ১.৬১ শতাংশ বেড়ে ৭৫,৪১৮.০৪-এ ছিল। আর নিফটি৫০ বন্ধ হয়েছে, ৩৬৯.৮৫ পয়েন্ট বা ১.৬৪ শতাংশ বেড়ে ২২,৯৬৭.৬৫-এ।
বুধবার, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের জন্য ২.১১ লক্ষ কোটি টাকার উদ্বৃত্ত লভ্যাংশ, কেন্দ্রীয় সরকারকে স্থানান্তর করার অনুমোদন দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সরকার এবং বাজারের প্রত্যাশা ছিল ১ থেকে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা সরকারকে দিতে পারে আরবিআই। তার তুলনায় ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ দিয়েছে আরবিআই। এর পরদিনই ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেল দালাল স্ট্রিটে। উত্থান ঘটল দুই সূচকেরই। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই পদক্ষেপ, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সরকারকে রাজস্ব ঘাটতি অনেকটাই কমাতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞরা। ০.২ শতাংশ থেকে ০.৪ শতাংশ পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি কমতে পারে।
স্বস্তিকা ইনভেস্টমার্ট লিমিটেড সংস্থার গবেষণা বিভাগের প্রধান সন্তোষ মীনার মতে, রাজস্ব ঘাটতি এবং বন্ড ইল্ডের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে। এটা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত। শুধু আরবিআই-এর পক্ষ থেকে বিপুল লভ্যাংশ দিয়ে সরকারকে সহায়তা করাই নয়, বাজারে এই উত্থানের পিছনে এক স্থিতিশীল সরকারের প্রত্যাশাও বড় কারণ। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর, কম ভোট পড়ায়, মে মাসের শুরুতে ঝিমিয়ে ছিল বাজার। তবে, প্রথমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লগ্নিকারীদের আশ্বস্ত করেছেন। নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেখতে পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তাদের এই ইতিবাচক অনুভূতিও বাজারকে চাঙ্গা করেছে। এদিন যে সংস্থাগুলি সবথেকে বেশি লাভ করেছে, তাদের মধ্যে ছিল – আদানি এন্টারপ্রাইজ, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেড, আদানি পোর্টস, মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা ইত্যাদি।