Belgachia: 'মরা মেরে খুনের দায় কে নেয়?' বেলগাছিয়ায় পুড়ে খাক হল বিজেপি নেতার বাইক - Bengali News | Belgachia There was a complaint of burning the bike of a BJP worker in Belgachia - 24 Ghanta Bangla News
Home

Belgachia: ‘মরা মেরে খুনের দায় কে নেয়?’ বেলগাছিয়ায় পুড়ে খাক হল বিজেপি নেতার বাইক – Bengali News | Belgachia There was a complaint of burning the bike of a BJP worker in Belgachia

Spread the love

বেলগাছিয়ায় আগুনে পুড়ে খাক বাইক Image Credit source: TV9 Bangla

কলকাতা: বিজেপি নেতা ও তাঁর ভাইয়ের বাইক পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য  উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কাশীপুর-বেলগাছিয়ায়। ইতিমধ্যেই টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তারক দাস নামে ওই বিজেপি নেতা বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের বুথ এজেন্ট বলেও জানা গিয়েছে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

সপ্তম দফায় ভোট রয়েছে কলকাতায়। তার আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বেলগাছিয়ায়।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  টালা এলাকার জে কে মিত্র রোডের ফুটপাতের ধারেই প্রতিদিন বাইক পার্ক করে রাখেন তারক দাস। তাঁর ভাইও সেখানে বাইক পার্ক করতেন। বুধবার সকালে তাঁরা কাজে যাওয়ার জন্য সেখান থেকে বাইক আনতে গিয়ে দেখেন, পুড়ে ঝলসে গিয়েছে সেই বাইক। শুধু কালো কাঠামো পড়ে।

ঘটনাকে ঘিরে ভোটের মুখেই তপ্ত হয়ে ওঠে বেলগাছিয়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাও বলেন। তারক দাসের বক্তব্য, “মাঝ রাতেই এই কাজ করা হয়েছে। আমার বাইকটার পাশেই রাখা ছিল ভাইয়ের বাইকটা। সেটাও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমার ভাই কোনও রাজনীতি করে না।” ইতিমধ্যেই টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এলাকায় তারকের একটি দোকান রয়েছে। সেটিতেও হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

উল্লেখ্য, তারক দাসের বক্তব্য, একুশের নির্বাচনের পরও তিনি হামলার মুখে পড়েছিলেন। ভোট পরবর্তী হিংসার মুখে পড়ে তিনি বেশ কিছু মাস ঘরছাড়া ছিলেন।

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে তৃণমূূলের মুখপাত্র শান্তনু সেন বলেন, “কাশীপুর বেলগাছিয়ার তিন নম্বর ওয়ার্ডের যে জায়গার কথা বলা হচ্ছে, আমি সেখানে ২০১৫-২০২১ ৬ বছর কাউন্সিলর ছিলাম। ওখানে সমস্তটাই তৃণমূল। কিছু মানুষ আছেন যাঁরা বামপন্থী। বিজেপি খুঁজতে গেলে সেখানে দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এখন সেখানে মরা মেরে খুনের দায় কে নেয়?”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *