Death at Gym: ট্রেডমিলে দৌড়তে দৌড়তেই লুটিয়ে পড়ল, মাত্র ১৭ বছর বয়সে মৃত্যু, অবাক ট্রেনারও - Bengali News | 17 years old died at gym while running on trademil, trainer saw him first time - 24 Ghanta Bangla News
Home

Death at Gym: ট্রেডমিলে দৌড়তে দৌড়তেই লুটিয়ে পড়ল, মাত্র ১৭ বছর বয়সে মৃত্যু, অবাক ট্রেনারও – Bengali News | 17 years old died at gym while running on trademil, trainer saw him first time

Spread the love

জিমে মৃত্যু কিশোরেরImage Credit source: twitter

রায়পুর: ট্রেডমিলে দৌড়চ্ছিলেন এক কিশোর। হঠাৎ সজোরে একটা শব্দ। ছুটে গেলে জিমে উপস্থিত সবাই। তাকিয়ে দেখলেন কিশোরের কোনও জ্ঞান নেই, চোখও খুলছে না। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করলেন সবাই। নিয়ে যাওয়া হলেও আর ফেরানো গেল না তাকে। মাত্র ১৭ বয়সেই মৃত্যু। এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সবাই। এত কম বয়সে এমন আকস্মিক মৃত্যু কারণ হাতড়াচ্ছেন চিকিৎসকেরাও। অতিরিক্ত ব্যায়াম করাই কি কাল হল? এই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।

ছত্তীশগঢ়ের রায়পুরের ঘটনা। রায়পুরের খামতারাই এলাকার বাসিন্দা ওই কিশোর তো জিমে গিয়েছিল। ট্রেডমিলে দৌড়নোর সময় হঠাৎ তার মাথা ঘুরে যায় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাঁরা বলছেন, দৃশ্য দেখার পর তাঁরা অনেক জাগানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু জাগানো যায়নি তাকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর জানা যায়, ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে তার। তবে পুলিশ এখন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রায়পুরের এসপি লখন পটেল জানিয়েছেন, কিশোরের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়। তার মৃত্যুর খবর শোনার পর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আপাতত ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। জিম ট্রেনারকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, এর আগে কখনও ওই জিমে যায়নি ওই কিশোর।

পুলিশ জানিয়েছে, যুবকের নাম সত্যম রংডালে। ভানপুরীর বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার জিমে যায় সে। অতিরিক্ত ব্যায়ামের কারণে সে অসুস্থ হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে, পেশিতে টান ও অসহ্য ব্যথা অনুভব হতে পারেন। পেশীগুলি এতটাই সক্রিয় হয়ে যায় যে সেগুলি আরও প্রসারিত হতে শুরু করে, যার ফলে শরীরের উপর আরও চাপ পড়ে। এছাড়া অতিরিক্ত ব্যায়াম রক্তচাপ বাড়ায় এবং হার্টের ক্ষতি করে। ওয়ার্কআউটের কারণে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক হারের চেয়ে দ্রুত হয়। এর ফলেও ক্ষতি হতে পারে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *