Blood Sugar Test: ফোনেই দেখা যাবে কতটা বেড়েছে সুগার, এই ছোট্ট নিয়ম মেনে বাড়িতে ডায়াবেটিস টেস্ট করুন – Bengali News | How And When To Test Blood Sugar At Home? Follow These Steps
এখন প্রতিটা বাড়িতে একজন সুগারের রোগী পেয়ে যাবেন। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জেরেই মানুষের জীবনে থাবা বসিয়েছে ডায়াবেটিস। প্রথম থেকে সচেতন থাকলে সহজেই এড়ানো যায় সুগারকে। কিন্তু একবার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে মেপে মেপে পা ফেলতে হয়। স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রাও মাপা দরকার। কিন্তু বাড়াবাড়ি না হওয়া পর্যন্ত কেউই ব্লাড টেস্ট করান না। হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে কিংবা কমে গেলে তখন মনে হয় একবার সুগার চেক করিয়ে নেওয়া দরকার। তখন ক্লিনিকে না ছুটে বাড়িতে বসেই সুগার লেভেল চেক করিয়ে নিতে পারেন। প্রত্যেক সুগার রোগীর জেনে রাখা দরকার বাড়িতে কখন ও কীভাবে সুগার লেভেল মাপতে হয়।
বাড়িতে কীভাবে সুগার মাপবেন?
ফিঙ্গার টিপ মিটার যন্ত্র সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা রয়েছে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সহজেই জানা যায় আপনার সুগার লেভেল। একটি ভাল মানের যন্ত্র কিনে নিন। এই যন্ত্রে থাকা সূচের মতো অংশ আঙুলের ডগায় ফুটিয়ে রক্ত বের করে নিন। এবার এই রক্ত ছোট স্ট্রিপে রাখুন। এবার এই স্ট্রিপটি যন্ত্রের মধ্যে রাখুন। মাত্র ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের মধ্যে যন্ত্রের ডিসপ্লেতে দেখতে পাবেন আপনার সুগার লেভেল। চাইলে নিজের মোবাইলের সঙ্গেও এই যন্ত্রটি সিঙ্ক করে রাখতে পারেন। এতে ফোনেই দেখতে পেয়ে যাবেন রক্তে শর্করার মাত্রা কত। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করতে পারেন।
এই খবরটিও পড়ুন
যাঁরা টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাঁরা ইন্টারস্টিশিয়াল গ্লুকোজ মেজারিং ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন। একটি নলের মাধ্যমে এই যন্ত্রটি শরীরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এছাড়া এই যন্ত্রতে একটি ইনসুলিন পাম্প থাকে। এটি আপনাকে সারাক্ষণ শরীরের সঙ্গে যুক্ত রাখতে হবে। এটি সারাক্ষণ আপনার সুগার মেপে যাবে। কখন সুগার লেভেল বাড়ছে, কখন কমে যাচ্ছে, সবই জানতে পারবেন।
সুগার চেক করার আগে যে নিয়ম মানবেন-
ক্লিনিকে গিয়ে সুগার টেস্ট করালে দু’বার রক্ত দিতে হয়। একবার ফাস্টিং সুগার এবং অন্যটি পিপি সুগার। এই নিয়মটা আপনাকে বাড়িতে রক্ত শর্করা পরীক্ষা করার সময়ও মানতে হবে। সকালবেলা সুগার চেক করুন। তার আগে ৮ ঘণ্টা বা তার বেশি খাবার না খেয়ে থাকুন। অর্থাৎ, ডিনার ও ব্রেকফাস্টের মাঝে ৮ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন। তারপর ফাস্টিং পরীক্ষা করুন।
পিপি সুগার পরীক্ষা করা হয় ভরা পেটে। খাবার খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর পিপি সুগার মাপতে হয়। এভাবে সুগার পরীক্ষা করলে সঠিক মাত্রা জানা যায়। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সুগারের সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের প্রতিদিন সুগার টেস্ট করা উচিত।