TMC: রাতে ফোন মমতা-অভিষেকের, থানাতেই রাতভর দোলা-ডেরেকরা... - Bengali News | Tmc members brought to Mandir Marg police station where they spent night - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMC: রাতে ফোন মমতা-অভিষেকের, থানাতেই রাতভর দোলা-ডেরেকরা… – Bengali News | Tmc members brought to Mandir Marg police station where they spent night

Spread the love

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। Image Credit source: Facebook

নয়া দিল্লি: রাতভর মন্দিরমার্গ থানাতেই কাটালেন তৃণমূলের ১০ জনের প্রতিনিধিদল। এনআইএ আধিকারিককে অপসারণের দাবিতে অনড় তৃণমূল। সূত্রের খবর, রাতেই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার থেকে শুরু করে আজ মঙ্গলবার বিকাল অবধি তাঁরা ধরনা চালিয়ে যাবেন। এদিকে তৃণমূলের চাপের মুখে কমিশন কি কোনও পদক্ষেপ করবে, সেদিকেই আপাতত নজর রাজনৈতিক মহলের।

তৃণমূল-এজেন্সি সংঘাত আরও তীব্রতা পাচ্ছে। তৃণমূলের পরিকল্পনা ছিল, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে সারা রাত বসে থাকার। দিল্লিতে সোমবার তৃণমূলের প্রতিবাদে ধুন্ধুমারের পর নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে থেকে ডেরেক ও’ব্রায়েন, শান্তনু সেন, অর্পিতা ঘোষ, দোলা সেন, সুদীপ রাহাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির মন্দিরমার্গ থানায়। রাতভর সেখানেই ধরনা চলে। থানাতেই চলে ধরনা অবস্থান।

সূত্রের খবর, রাতে আলাদা করে মমতা ও অভিষেক তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। তৃণমূলের দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির উপরও নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্ব থাকুক। ভোটের আদর্শ আচরণবিধির কারণে ঠিক যেভাবে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন বা রাজ্য এজেন্সিগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

এদিকে দিল্লির আঁচ সোমবার রাতে কলকাতাতেও এসে পৌঁছয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মালা রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শশী পাঁজা, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসরা রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন।

সেখান থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, “এনআইএর এসপির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযোগ ছিল। জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে গোপনে বৈঠক হয়েছে এসপি এন‌আইএ-র। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করব। যে ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, এসপি’র ঘরে জিতেন্দ্রকে একজন নিয়ে যাচ্ছেন। বেরনোর সময় নীচ পর্যন্ত এগিয়ে দিচ্ছেন।” মূলত এই অভিযোগকে সামনে রেখেই এনআইয়ের ডিরেক্টর বদলের পক্ষে সওয়াল করেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *