শেষ বয়সে কেমন দেখতে ছিলেন সুচিত্রা সেন? প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে স্পষ্ট সবটা - Bengali News | Suchitra Sen's looks in her last days remain a mystery - 24 Ghanta Bangla News
Home

শেষ বয়সে কেমন দেখতে ছিলেন সুচিত্রা সেন? প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে স্পষ্ট সবটা – Bengali News | Suchitra Sen’s looks in her last days remain a mystery

Spread the love

প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে স্পষ্ট সবটা

সেই ১৫ বছরে বিয়ে হয়ে গিয়েছিল আচমকাই। বাড়ির সকলের আদরের মেয়ে কৃষ্ণা যে এক সময় গোটা বাংলায় রাজত্ব করবেন তা কি ভেবেছিলেন ওঁরা? স্কুলে ভর্তির পর কৃষ্ণা হয়ে যান রমা। আর রমা পরবর্তীতে বিশ্বময় পরিচিতি পান সুচিত্রা সেন হিসেবে। তিনি টলিউডের ডিভা। এমন এক ব্যক্তিত্ব এত বছর পরেও জেন জি-এর আগ্রহ তাঁকে নিয়ে কমেনি। আজ অর্থাৎ ৬ এপ্রিল তাঁর জন্মদিন। মৃত্যুর বহু বছর আগে থেকেই নিজেকে অন্তরালেই নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। যত তিনি আড়াল হয়েছেন, ততই গোপনচারিণীর রূপ নিয়ে মানুষের মনে বেড়েছে কৌতূহল। ১৯৯৫ সালে ভোটার কার্ডের ছবির জন্য একবার অন্তরাল ভেঙে বেড়িয়েছিলেন বটে কিন্তু ওই শেষ। ওই রহস্যে ঘেরা মায়াজাল ভাঙতে পারেননি সাধারণ।

রহস্য যত বেড়েছে তত প্রগাঢ় হয়েছে মনগড়া নানা গল্প। কিছুটা মিথ আর কিছুটা মিস্ট্রির মেলবন্ধনে ঘেরা এই মানুষটিকে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন লগ্না ধর, যিনি সম্পর্কে সুচিত্রার বোনঝি। বাংলার ‘গ্রেটা গার্বো’কে নিয়ে টিভিনাইন বাংলার কাছে এমন কিছু তথ্য তিনি জানিয়েছিলেন যা সত্যি সম্পদ। জানিয়েছিলে শেষ বয়সে কেমন দেখতে ছিলেন তিনি? তাঁর কথায়, “নিজে খুব একটা রান্না করতেন না। কিন্তু আমার মনে আছে, একবার ডিমের ডালনা রান্না করে খাইয়েছিলেন। খেতে ভালই হয়েছিল সেটা। মাসির রান্না ঘরে যাওয়ার কোনওদিনও দরকারও পড়ত না। বাবুর্চি থাকত।”

লগ্নার চোখে শেষ বয়সেও তাঁর মাসি ছিলেন পরমসুন্দরী। তাঁর কথায়, “কেউ যদি বলে থাকেন, মাসির চেহারা খারাপ হয়ে গিয়েছে… তা হলে খুব ভুল বলেছেন। সাদা চুলেও মাসি ততটাই সুন্দর ছিলেন। সেই গ্রেসটা কিন্তু ছিলই।” কেন তিনি নিজেকে অন্তরালে রাখতেন সে কারণ অজানা। তবে লাইমলাইট পছন্দ ছিল না তাঁর, পছন্দ ছিল না অহেতুক চর্চা। ২০০৫ সালে দাদা সাহেব ফালকেও নিতে যাননি… হঠাৎ করে অন্তরালে চলে যাওয়ার বিষয়টা পরিবারের লোক হিসেবে কীভাবে দেখেছিলেন লগ্না? তাঁর কথায়, “দারুণ সিদ্ধান্ত ছিল এটা। আমি জানি না ঠিক কোন কারণে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের মানুষ হিসেবে আমরা সমর্থন করেছিলাম। তারকারা মধ্যগগনে থাকার পর এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। কিন্তু মাসি পেরেছিলেন। মানুষও কিন্তু তাঁকে সেই জায়গাতেই রেখে দিয়েছেন চিরটাকাল।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *