MS Dhoni: বিমানে আমার পাশে বসতেই চাইত না… ধোনির অজানা গল্প সচিনের মুখে – Bengali News | Sachin Tendulkar shares why MS Dhoni in his early days never used to sit next to him
MS Dhoni: বিমানে আমার পাশে বসতেই চাইত না… ধোনির অজানা গল্প সচিনের মুখে
কলকাতা: মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni) ঠাণ্ডা মস্তিস্কের মানুষ। তাঁর মতো গোছানো মানুষের সান্নিধ্যে তরুণ ক্রিকেটাররা বিকশিত হয়। মাহিকে যাঁরা কাছ থেকে দেখেছেন, যাঁরা তাঁর সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, তাঁদের কাছে মাহি পুরো খোলা বইয়ের মতো। জুনিয়রদের কাছে বড় দাদার মতো। সতীর্থদের কাছে এক্কেবারে কাছের বন্ধুর মতো। এ বারের আইপিএলে তিনি আর চেন্নাই সুপার কিংসের নেতা নন। কিন্তু তিনিও ভালো মতো জানেন যে, তাঁর প্রতিটি পরামর্শ সিএসকে (CSK) শিবিরের কাছে বেদবাক্যের মতো। এ বারের আইপিএলে জিওসিনেমাতে কমেন্ট্রি করছেন ভারতের কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। সেখানেই তিনি মাহির কিছু অজানা গল্প তুলে ধরেছেন।
ধোনির সঙ্গে সচিনের প্রথম দেখা
সচিন তেন্ডুলকর জানান ২০০৩-০৪ সালে বাংলাদেশ সফলে প্রথম বার ধোনিকে তিনি দেখেছিলেন। জিও ইনসাইডারে সচিন বলেন, “প্রথম বার ওকে বাংলাদেশ সফরে দেখেছিলাম। ২-১টা শট খেলেছিল ও। ওর ব্যাট থেকে তাতে যে আওয়াজ শুনতে পেয়েছিলাম আমি, পাশে বসে থাকা সৌরভকে বলেছিলাম, ‘দাদা ওর ব্যাটে অন্যরকম আওয়াজ আসছে।’ আসলে বিগ হিটারদের এই বিশেষত্ব আছে। ওর ব্যাটিংয়ে আমি সেই গুণ দেখেছি।”
লাজুক ধোনি সম্পর্ক সচিন
মাস্টার ব্লাস্টার জানান, যখন তিনি এবং ধোনি একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলতেন সেই সময় মাহি কখনওই বিমানে তাঁর পাশে বসতে চাইতেন না। সচিনের কথায়, ‘আমাকে কয়েকজন ক্রিকেটার বলেছিল, বিমানে বেশিরভাগ সময় আমার পাশে ও বসার সুযোগ পেত। আর তখন ও অন্যান্যদের সঙ্গে আসন বদল করে নিত। কয়েক বছ আমার পাশে ও কখনও বসেনি। তারপর যত দিন এগিয়েছে আমরা পাশাপাশি বসা শুরু করেছিলাম। আমি জানতাম না যে ও এত লাজুক এবং তাই ও নিজের আসন বদলাতো।’
ধোনিকে ২০০৭ সালে অধিনায়ক বানানো প্রসঙ্গে
সচিন তেন্ডুলকর জানান, বিসিসিআই তাঁকে ২০০৭ সালে ক্যাপ্টেন্সির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন তিনি ধোনির নাম অধিনায়কত্বের জন্য সুপারিশ করেছিলেন। মাস্টার ব্লাস্টারের কথায়, ‘বিসিসিআই আমাকে ২০০৭ সালে অধিনায়ক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ওই সময় আমার শরীর ভালো ছিল না। আর আনি মহেন্দ্র সিং ধোনিকে খুব ভালো করে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম। ও মনের দিক থেকেও স্থিতিশীল ছিল। ও শান্ত ছিল। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারদর্শী ছিল। যে কারণে আমি ওর নাম অধিনায়কের জন্য সুপারিশ করেছিলাম।’