Video: মহাকাশে উড়তে তৈরি হচ্ছে একুশ শতকের 'পুষ্পক' রথ - Bengali News | Video: ISRO's Pushpak space shuttle successfully landed on a runway in Karnataka - 24 Ghanta Bangla News
Home

Video: মহাকাশে উড়তে তৈরি হচ্ছে একুশ শতকের ‘পুষ্পক’ রথ – Bengali News | Video: ISRO’s Pushpak space shuttle successfully landed on a runway in Karnataka

Spread the love

নয়া দিল্লি: রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে ‘পুষ্পক রথে’-এর। আকাশে উড়তে পারা সেই রথটি ছিল সম্পদের দেবতা কুবেরের বাহন। এবার একুশ শতাব্দীতে এসে ফের ভারতে তৈরি হল এক অসামান্য পুষ্পক রথ। শুক্রবার (২২ মার্চ), প্রথম প্রচেষ্টাতেই কর্নাটকের এক রানওয়েতে অবতরণে সফল হল ‘পুষ্পক’। এবার তার মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষা। ‘পুষ্পক’ হল ইসরোর তৈরি সর্বশেষ মহাকাশ যান। আকারে একটি এসইউভির থেকে বড় নয়। ডানাওয়ালা রকেটটি পুনঃব্যবহারযোগ্য। অর্থাৎ, একবার মহাকশে পাঠিয়ে ফের সেটিকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা যাবে পরবর্তী সময়ে ফের ব্যবহারের জন্য। এর ফলে একটি রকেট একাধিক মহাকাশ অভিযানে ব্যবহার করা যাবে। এতে মহাকাশ অভিযানের খরচও কমবে, সেই সঙ্গে ভারত প্রবেশ করবে মহাকাশ গবেষণার এক এলিট দেশের ক্লাবে।

এখনও পর্যন্ত, একমাত্র আমেরিকা ছাড়া আর কোনও দেশের হাতে এই ধরনের মহাকাশযান নেই। তবে, ২০২৪ থেকে ২৭-এর মধ্যে চিন, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, স্পেনের মতো দেশ পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট তৈরির পরিকল্পনা করেছে। কাজেই, ইসরোর এদিনের পরীক্ষা সফল হওয়া, ভারতকে এই দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে দিল। এই ক্ষেত্রে একটা বড় মাইলফলক বলা যেতে পারে। এদিন অবশ্য মহাকাশ থেকে নেমে আসেনি পুষ্পক। বায়ুসেনার এক চিনুক চিনুক হেলিকপ্টারে করে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে, ৪.৫ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে থেকে রকেটটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ইসরো প্রধান এস সোমানাথ জানিয়েছেন, পরীক্ষার ফলাফল ‘চমৎকার এবং সুনির্দিষ্ট’।

ইসরো জানিয়েছে, ‘অফ নমিনাল’ অবস্থান থেকে মহাকাশযানটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর সেটি স্বায়ত্তশাসিতভাবে রানওয়ের নির্দিষ্ট জায়গায় অবতরণ করে। পুষ্পককে ছাড়া হয়েছিল রানওয়ে থেকে ৪ কিমি দূরে। মহাকাশযানটি ক্রস রেঞ্জ সংশোধন করে রানওয়ের কাছে পৌঁছয়, তারপর নীচে নেমে আসে। এরপর রানওয়েতে ব্রেক প্যারাসুট, ল্যান্ডিং গিয়ার ব্রেক এবং নোজ হুইল স্টিয়ারিং সিস্টেম ব্যবহার করে থামে। এরপর আরও জটিল পরিস্থিতিতে পুষ্পকের রোবোটিক অবতরণের পরীক্ষা করা হবে। তবে, পুষ্পকের মোতায়েনে আরও অনেক বছর সময় লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এটা ছিল পুষ্পকের তৃতীয় উড়ান। ২০১৬ সালে পুষ্পক প্রথমবারের মতো উড়েছিল। বঙ্গোপসাগরে একটি ভার্চুয়াল রানওয়েতে সফলভাবে অবতরণ করেছিল। পরিকল্পনামাফিক সেটি সমুদ্রে ডুবে গিয়েছিল। পরে, আর উদ্ধার করা যায়নি। ২০২৩ সালে পুষ্পকের দ্বিতীয় পরীক্ষাও সফল হয়েছিল। স্বায়ত্তশাসিত অবতরণের জন্য একটি চিনুক হেলিকপ্টার থেকে রকেটটি নামানো হয়েছিল। প্রায় ১০ বছর আগে ইসরোর ইঞ্জিনিয়ার এবং বিজ্ঞানীদের একটি দল এই মহাকাশযানটি তৈরির কাজ শুরু করেছিল। ৬.৫ মিটার দীর্ঘ মহাকাশযানটি অনেকটাই সাধারণ বিমানের মতো দেখতে। এর ওজন ১.৭৫ টন। অবতরণের সময়, বেশ কয়েকটি ছোট থ্রাস্টার কাজ করে। যার সাহায্যে, মহাকাশযানটি সঠিক জায়গায় নামতে পারে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *