Arvind Kejriwal: আমলা থেকে কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী? 'মাফলারম্যান' কেজরীর কালারফুল জার্নি... - Bengali News | From A Government Employee to Chief Minister, the journey of Mufflerman Arvind Kejriwal - 24 Ghanta Bangla News
Home

Arvind Kejriwal: আমলা থেকে কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী? ‘মাফলারম্যান’ কেজরীর কালারফুল জার্নি… – Bengali News | From A Government Employee to Chief Minister, the journey of Mufflerman Arvind Kejriwal

Spread the love

নয়া দিল্লি: ‘মাফলারম্যান’ অরবিন্দ কেজরীবাল। জাতীয় রাজনীতিতে যতটা চর্চিত কেজরী, ততটাই চর্চায় থেকেছে তাঁর মাফলারও। আন্না হাজারের জন লোকপাল আন্দোলন থেকে উঠে আসা কেজরীর ইউএসপিই ছিল নিপাট-নিরীহ সাধারণ মানুষ গোছের ভাবমূর্তি। দলের নামও তেমনই রেখেছেন। আম আদমি পার্টি। রাজনীতির মাঠে ‘মাফলারম্যান’ ভাবমূর্তিকে দারুণভাবে ব্যবহার করেছে আম আদমি পার্টি। ‘মাফলারম্যান’ মানেই এক সাধারণ মানুষের সাহসিকতা ও সততার প্রতীক, এটাই বার বার প্রোমোট করার চেষ্টা করেছে কেজরীর দল। কেউ কেউ তো আবার দেশের রাজনীতিতে আগামীর সুপারহিরো বলেও ধরে নিয়েছিলেন এই সোজাসাপ্টা ‘মাফলারম্যানকে’।

সোজাসাপ্টা এই ‘মাফলারম্যানের’ রাজনীতিতে আসাটাও ছিল এক চমকপ্রদ জার্নি। ছিলেন আমলা। আয়কর দফতরে কাজ করতেন। সেখান থেকে সমাজকর্মী। তারপর আন্না হাজারের সাহচর্য। তারপর নিজের রাজনৈতিক দল গঠন। আর তারপর মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি আমলা থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার এই যাত্রাপথটা ঠিক কেমন ছিল?

সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় পাশ করে উঁচু সরকারি পদে চাকরি পেয়েছিলেন কেজরী। আয়কর দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। ১৯৯৫ সালে কাজে যোগ দেন। কিন্তু বেশিদিন সেই কাজে মন টেকেনি। তিনি চেয়েছিলেন অন্য কিছু করতে। তাই ২০০৬ সালেই আয়কর দফতরের জয়েন্ট কমিশনার পদ থেকে ইস্তফা।

এক্ষেত্রে বলতে হয়, মনীশ সিসোদিয়া তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু। রাজনীতিতে আসার বহু আগে থেকে। ১৯৯৯ সালে আয়কর দফতরে কাজ করতে করতেই সিসোদিয়ার সঙ্গে একটি মঞ্চ শুরু করেন তিনি। রেশন, পূর্ত, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প, আয়কর, বিদ্যুৎ পরিষেবা… ইত্যাদি ক্ষেত্রে মানুষের অভিযোগের কথা তুলে ধরাই ছিল এই মঞ্চের মূল লক্ষ্য। নাম দিয়েছিলেন পরিবর্তন। এটা কোনও রেজিস্টার্ড এনজিও ছিল না, এটি চলত আম জনতার দানের অর্থে।

এরপর সরকারি কাজে ইস্তফা দিয়ে পুরোপুরি এই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন তিনি। হয়ে উঠেন আম জনতার ভরসার মানুষ, কাছের মানুষ। কমনওয়েলথ গেমসে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন কেজরী। সাধারণ মানুষের মনের কথা, যেটা তাঁরা বলতে চাইছেন, সেই কথাগুলোকে তুলে ধরতেন তিনি। ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতাও বাড়তে থাকে।

এরপর আসে ২০১১ সাল। আন্না হাজারের জন লোকপাল বিল আন্দোলনের মঞ্চে অরবিন্দ কেজরীবাল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জন লোকপাল বিল আন্দোলনের ধারও বাড়তে থাকে। অনশনে বসেন আন্না হাজারে। পুলিশি নির্দেশ অমান্য করে গ্রেফতার হন কেজরীবাল। টানা আন্দোলনের মুখে তৎকালীন দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারও কিছুটা পিছু হটে। জন লোকপাল বিলের খসড়া বানানোর জন্য কমিটি গঠন করে সরকার। কিন্তু ২০১২ সালে আবার নিজেদের অবস্থান বদলায় সরকার পক্ষ। আরও এক দফা প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন কেজরীবালরা। তবে ২০১১ সালে যে প্রভাব দেখা গিয়েছিল আন্দোলনের, এবার সেই ঝাঁঝ অনেকটাই কম। এসবের মধ্য়েই ২০১২ সালের মাঝামাঝি জন লোকপাল আন্দোলনের প্রধান মুখ হিসেবে আন্না হাজারের জায়গা নেন কেজরী।

ওই বছরেই সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে এলেন কেজরী। তৈরি করলেন নিজের দল। আম আদমি পার্টি। এরপর ২০১৩ সালের দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের জয়। সরকার গঠন করে কেজরীবালের আম আদমি পার্টি এবং মুখ্যমন্ত্রী হন মাফলারম্যান অরবিন্দ কেজরীবাল।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *