Amit Shah: ‘ওরা তো সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল’, বিরোধীদের ‘মিথ্যার রাজনীতি’ ফাঁস করে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – Bengali News | Union Home Minister Amit Shah Slams Opposition Parties for Opposing CAA, Says They Even Raise Question on Surgical Strike
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।Image Credit source: PTI
নয়া দিল্লি: অবশেষে দেশে কার্যকর হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। সিএএ কার্যকর হতেই সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই সিএএ কার্যকর করে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ দিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের কড়া জবাব দিয়ে বলেন, “ওয়াইসি, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীবাল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সমস্ত বিরোধী দলগুলি মিথ্যার রাজনীতি করছে।”
সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিএএ নিয়ে বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে এ দিন কড়া জবাব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “আসাউদ্দিন ওয়াইসি, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীবাল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা মিথ্যার রাজনীতি করছে। এখানে সময়ের প্রশ্নই আসে না। বিজেপি ২০১৯ সালের নির্বাচনী ইস্তেহারেই বলেছিল যে সিএএ আনা হবে এবং বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আগত রিফিউজিদের নাগরিকত্ব দেবে। ২০১৯ সালেই সংসদে এই আইন পাশ হয়েছিল কিন্তু কোভিডের কারণে তা কার্যকর হতে দেরী হয়। বিরোধীরা মিথ্যার রাজনীতি করতে চায়, নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক গোছাতে চায়। ওদের এই মুখোশ খুলে গিয়েছে। দেশের মানুষ জানে সিএএ দেশের আইন। বিগত ৪ বছরে আমি ৪১ বার বলেছি যে নির্বাচনের আগেই সিএএ কার্যকর করা হবে।”
বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করার যে অভিযোগ তুলেছে, তার জবাব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ বলেন, “বিরোধীদের কোনও কাজ নেই। ওদের ইতিহাস রয়েছে যা বলে, তা করে না। আর মোদীজির ইতিহাস রয়েছে যে তিনি বা বিজেপি যা বলে, তা পাথরে লেখার মতো। মোদীর প্রত্যেকটা গ্যারান্টি পূরণ হয়।”
তিনি আরও বলেন, “ওরা তো সার্জিকাল স্ট্রাইক, এয়ার স্ট্রাইকের সময়ও বলেছিল রাজনৈতিক স্বার্থে এটা করা হয়েছিল। তাহলে কি আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করব না? ওরা বলেছিল যে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারও আমাদের রাজনৈতিক স্বার্থে করা হয়েছিল। আমরা ১৯৫০ সাল থেকে বলে আসছি যে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করা হবে।”
সিএএ চালু হওয়ার পর চুরি ও ধর্ষণ বাড়বে, এমনটাই দাবি করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। এ দিন এই মন্তব্যেরও কড়া সমালোচনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ। তিনি বলেন, “ওনার সব দুর্নীতি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর মানসিক স্থিরতা হারিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। উনি জানেন না যে এরা (রিফিউজি) ভারতেই বসবাস করছেন। ওনার (কেজরীবাল) যদি এতই চিন্তা হয়, তবে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে কেন কথা বলেন না বা রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিরোধিতা করেন না? উনি নিজেই ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করছেন। উনি হয়তো দেশভাগের ইতিহাস ভুলে গিয়েছেন। ওনার রিফিউজি পরিবারদের সঙ্গে দেখা করা উচিত।”