Electoral Bond: ‘সুপ্রিম’ সময়সীমা পার, নির্বাচনী বন্ড নিয়ে মুখে কুলুপ SBI-র! এবার? – Bengali News | State Bank of India Fails to Submit Information about Electoral Bond in between Supreme Court Deadline, ECI Also have not Recieved any information
নয়া দিল্লি: মাস দেড়েক পরেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত বড় ধাক্কা খেয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। বাতিল করে দেওয়া হয়েছে নির্বাচনী বন্ড। এবার থেকে রাজনৈতিক দলগুলিতে ইলেকটোরাল বন্ড বা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে আর্থিক অনুদান দেওয়া যাবে না আর। শীর্ষ আদালতের এই সিদ্ধান্তে লোকসভা ভোটের আগেই চরম বিপাকে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। তবে সুুপ্রিম কোর্ট কিন্তু বন্ড বাতিল করেই থামেনি, রাজনৈতিক দলগুলির অস্বস্তি বাড়িয়ে এখনও অবধি নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোন দলের তহবিলে কত টাকা জমা পড়েছে, তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল। যেহেতু স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া-র এই বন্ড বিলি করার একমাত্র অধিকার ছিল, তাই এসবিআই-কেই এই তথ্য প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্দিষ্ট সময়সীমা পার করে গেলেও, সেই তথ্য প্রকাশ করতে পারল না স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।
নির্বাচনী বন্ড বাতিলের নির্দেশের সময়ই শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়েছিল, ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের সময় থেকে ২০২৪-এর ১৫ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড কিনে যারা রাজনৈতিক অনুদান দিয়েছেন, তাদের সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করতে হবে। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোন দল কত টাকা পেয়েছে, তাও জানাতে বলা হয়েছিল। ৬ মার্চের মধ্যেই এই তথ্য জানাতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তারিখ পেরিয়ে গেলেও সেই তথ্য প্রকাশ করতে পারল না স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।
চলতি সপ্তাহের সোমবারই স্টেট ব্যাঙ্ক সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। ইলোকটোরাল বন্ড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানাতে ৩০ জুন অবধি সময় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে এখনও অবধি সেই আর্জি শোনা হয়নি। এদিকে শীর্ষ আদালতের ধার্য করে দেওয়া ডেডলাইন পার হয়ে গেল। সূত্রের খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছেও নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত কোনও তথ্য জমা দেয়নি এসবিআই। আগামী ১৩ মার্চের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে নির্বাচনী বন্ডের যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করার কথা।
তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই এসবিআই জানিয়েছিল, ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালে রায় ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত মোট ২২,২১৭টি নির্বাচনী বন্ড বিক্রি করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলি এই বন্ডের মাধ্যমে কত টাকা অনুদান পেয়েছে, সে সংক্রান্ত তথ্য যদিও জানায়নি ব্যাঙ্ক।