Sandeshkhali: পড়াশোনা বন্ধের পিছনে শাহজাহান বাহিনীর হাত! ক্ষোভে ফুঁসছেন বেড়মজুরের মুখ কোয়েলি – Bengali News | Shah Jahan’s army behind the closure of studies, Koyeli Sardar face of bermajur agitation in Sandeshkhali in anger
সন্দেশখালি: বেড়মজুরের আন্দোলনের অন্যতম মুখ কোয়েলি সর্দার। ভূগোলে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করছিলেন কোয়েলি। ভর্তি হয়েছিলেন ক্যানিং ট্যাংরাখালি কলেজে। কিন্তু, স্নাতক হয়ে ওঠা আর হয়নি। অভিযোগ, তাঁর পড়াশোনা বন্ধের পিছনে বড় ভূমিকা রয়েছে শাহজাহান-সিরাজের বাহিনীর। ২০২১ সালে আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামে হামলা চালায় সিরাজ বাহিনী। হারিয়ে যায় কোয়েলির মোবাইল। করোনাকালে সেই সময় অনলাইন পড়াশোনাই ছিল একমাত্র পথ। কিন্তু, মোবাইল না থাকায় সেখানেই শেষ পড়ার পাঠ। বর্তমানে গ্রামের মা-দিদিদের একসঙ্গে নিয়ে গর্জে উঠছেন কোয়েলি।
২০২১ সালের হামলার দিনের সেই বীভৎসতার কথা বলতে গিয়ে এখনও শিউরে ওঠেন কোয়েলি। বলছেন, “শাহজাহান শেখ, সিরাজের লোকজন এসে আমাদের খুব মারধর করছিল। আমরা পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছিলাম। তখন আমাদের অনলাইনে পরীক্ষা ছিল। কিন্তু, আমার আর ফোন ছিল না। তাই পরীক্ষা দিতে পারিনি। ওরা মহিলাদের উপর বন্দুক চালিয়েছিল। যারা পড়াশোনা করছিল তাদের জেলে ভরে দিয়েছিল। এখন তাদের কেস তোলা হয়। এক অধ্যাপকের নামেও কেস দেওয়া হয়েছিল।”
এই খবরটিও পড়ুন
প্রসঙ্গত, শুক্রবারের পর শনিবার সকাল থেকেও নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় বেড়মজুরে। এক তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজনকে দেখে ফুঁসেও ওঠে গ্রামবাসীরা। দুই গ্রামবাসীকে আটকও করা হয়। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। আরও বাড়ে পুলিশি টহল। মাঠে নামেন এডিজি আইন শৃঙ্খলা সুপ্রতিম সরকার। অন্যদিকে এদিনই আবার সন্দেশখালিতে এসেছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। ঘুরে দেখছেন বিভিন্ন এলাকা। শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি গোটা সন্দেশখালি গর্জে উঠলেও পার্থ যদিও বলছেন, শাহজাহানের নামে নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ নেই। তাঁর এ মন্তব্য নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সন্দেশখালি গিয়ে পাল্টা তোপ দেগেছেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।