রোজ ৯-১০ ঘণ্টার বেশি ঘুমিয়েও শরীরে ক্লান্তি ভাব? সতর্ক না হলে হতে পারে মৃত্যুও!
প্রায় প্রতিদিনই ৯-১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ঘুমোন? কিন্তু তাতেই ক্লান্তি কাটতে চায় না। তাহলে আজই সাবধান হয়ে যান। কারণ আপনি ওভারস্লিপিং সিনড্রোমে আক্রান্ত।
গবেষণা বলছে কোনও ব্যক্তি যদি নিয়মিত ১০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ঘুমনোর অভ্যাস করেন, তাহলে তিনি নিজেই বিপদ ডেকে আনছেন। এত বেশিক্ষণ ঘুমলে ওবেসিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই ব্যক্তির।
কম ঘুম যেমন অবসাদের কারণ, তেমন বেশি ঘুমও কিন্তু অবসাদ ডেকে আনতে পারে। গবেষণা বলছে, অবসাদে আক্রান্ত ১৫ শতাংশ মানুষ কিন্তু ওভারস্লিপিং করে থাকেন। এর ফলে তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যর আরও অবনতি হতে পারে।
কম ঘুম অথবা বেশি ঘুম হরমোনের মাত্রাকে প্রভাবিত করে। ব্যহত হয় শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ যা কারণ হতে পারে বন্ধ্যাত্বের। ফলে একটা নির্দিষ্ট সময় মেনে ঘুমিয়ে সকালে উঠে পড়ার চেষ্টা করুন।
দিনের পর দিন মাত্রাছাড়া ঘুম মৃত্যুরও কারণ হতে পারে। বিভিন্ন গবেষণা বলছে, যে ব্যক্তি দিনে ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমোন তাঁর মৃত্যুর সম্ভাবনা দিনে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমনো একজন ব্যক্তির থেকে বেশি।
কিন্তু কেন? তার নিশ্চিত কারণ এখনও গবেষণার পর্যায়েই। তবে ধারণা করা হয়, অত্যধিক ঘুম ডেকে আনে মানসিক অবসাদ। শারীরিক দিক দিয়েও ব্যক্তিকে কমজোরি করে তোলে। আর সে সব কারণেই সে ক্রমশ এগিয়ে দিতে থাকে মৃত্যুর দিকে।
অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণেও হতে পারে ওভার স্লিপিং। এই রোগে ব্যক্তির ঘুমের মধ্যেই সাময়িক ভাবে দমবন্ধ হওয়ার অনুভূতি হতে পারে। ফলে ঘুমের স্বাভাবিক চক্র ব্যাহত হয়।
অনেক সময় বিশেষ কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও আপনি লাগামহীন ঘুমের শিকার হতে পারেন। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, হাইপারসমনিয়ার রোগের কারণে আপনার মধ্যে দেখা দিতে পারে এই সিনড্রোম।







