Ram Lalla: রামলালার অপলক দৃষ্টি, জ্যোতি ফুটিয়ে তুলতে কী ব্যবহার করেছিলেন ভাস্কর অরুণ – Bengali News | Arun Yogiraj posted silver hammer and gold chisel which used to carve divine eyes of Ram Lalla idol in Ayodhya
রামলালার চোখ খোদাই করতে ব্যবহার হয় এটি।Image Credit source: News9
অযোধ্যা: অযোধ্যার রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিশিষ্ট ভাস্কর অরুণ যোগীরাজের তৈরি রামলালার মূর্তি। কষ্টি পাথরের এই মূর্তিটি তৈরি করার সময় কঠোর সংযম পালন করেছেন শিল্পী। এমনকি রামলালাকে কেমন দেখতে হবে, সেই মুখের আদল তিনি দু-মাস ধরে ভেবেছিলেন। এবার মূর্তি তৈরির আরও এক ঘটনা সামনে এল। যা দিয়ে রামলালা বিগ্রহের চোখ খোদাই করেছেন, সেটা প্রকাশ্যে আনলেন অরুণ যোগীরাজ।
রামলালার মূর্তি তৈরি করতে সাধারণ কোনও উপকরণ ব্যবহার করেননি অরুণ যোগীরাজ। বিগ্রহের চোখ খোদাই করতে তিনি ব্যবহার করেছেন রুপোর হাতুড়ি ও সোনার ছেনি। রামলালার অভিষেকের ১৯ দিন পর সেই হাতুড়ি ও ছেনির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন অরুণ যোগীরাজ।
এই খবরটিও পড়ুন
Thought of sharing this Silver hammer with the golden chisel using which I carved the divine eyes (Netronmilana )of Ram lalla, Ayodhya pic.twitter.com/95HNiU5mVV
— Arun Yogiraj (@yogiraj_arun) February 10, 2024
যে কোনও পুজোয় বিগ্রহের চক্ষুদান বিশেষ তিথি মেনে করা হয়। মহীশূরের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজও সেই রীতি মেনে রামলালার চক্ষু খোদাই করেন। তিনি জানান, রামলালার চক্ষু খোদাইয়ের কাজটি একটি শুভ সময়ে শুরু হয়েছিল। এছাড়া মূর্তি তৈরির কাজ শুরু আগে প্রতিদিন তিনি সরয়ু নদীতে স্নান করতেন এবং হনুমান গড়িতে পুজো দিতেন।
প্রসঙ্গত, রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে রামলালার মূর্তি তৈরির দায়িত্ব তিনজন ভাস্করকে দেওয়া হয়েছিল। তিনজনের তিনটি মূর্তির মধ্য থেকে অরুণ যোগীরাজের মূর্তিটি রাম মন্দিরে প্রতিষ্ঠার জন্য চূড়ান্ত করা। ৫১ ইঞ্চি লম্বা কষ্টি পাথরের মূর্তিটি ৫ বছরের বালকের আদলে করা হয়েছে। গত ২২ জানুয়ারি মূর্তিটিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে রাম মন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অভিষেক-অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় কার্যত মহাযজ্ঞ হয়। সাধু-সন্ন্যাসী, বিভিন্ন ধর্মের প্রধান থেকে শুরু করে রাজনীতিক, খেলোয়াড়, তারকা-সহ দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার অতিথি উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। রাম মন্দির উদ্বোধনের পরদিন অর্থাৎ ২৩ জানুয়ারি থেকেই মন্দিরে সাধারণ পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। কয়েকদিনেই পুণ্যার্থীদের প্রণামীতে ভরে ওঠে রাম মন্দিরের দানবাক্স।